
মালদহ: ভুয়ো ফর্ম বিলি করে আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পাঁচ হাজার টাকা করে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ। কাঠগড়ায় কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য। সেই ভিডিয়ো আবার ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। সত্যতা যাচাই করেনি টিভি ৯ বাংলা। গোটা ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই পলাতক কংগ্রেস নেতা।
মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের মহেন্দ্রপুরে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য রঞ্জন স্বর্ণকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রঞ্জন স্বর্ণকার আবাসের ঘরের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁদের বাড়িতে এসে একটি ফর্ম দেয়।সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা কাটমানি দাবি করেছেন। সঙ্গে হুমকি দিয়েও বলা হয়েছিল, কাটমানি না দিলে আবাসের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে না। পরবর্তীতে অভিযোগকারী জানতে পারেন ওই এলাকার একাধিক বাড়ি থেকে ৫০০০ টাকা করে ওই পঞ্চায়েত সদস্য নিয়েছেন বলে অভিযোগ।
পরে প্রকাশ্যে আসে অভিযুক্ত ব্যক্তি আবাস যোজনার ফর্ম বিলি করেছেন সেই ফর্ম ভুয়ো। সামাজিক মাধ্যমে ফর্ম বিলি করার এবং কাটমানি চাওয়ার সেই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। এই নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপভোক্তারা। তারপরেই পলাতক অভিযুক্ত সদস্য। সমগ্র ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের জন্ম কংগ্রেসের গর্ভ থেকে। দুর্নীতি এদের স্বভাব। কিন্তু পালাবদলের বাংলায় এসব চলবে না। অন্যদিকে সাফাই দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। গোটা ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
অভিযোগকারী লতা দাস বলেন, “ভুল ভাল ফর্ম দিয়েছে। আমাদের থেকে ৫ হাজার টাকাও চেয়েছে।” কংগ্রেস নেতা মোস্তাক আলম বলেন, “আমি শুনেছি এমন ঘটনা। আর শুধু বলে দিলেই তো হবে না, অভিযোগ প্রমাণও তো করতে হবে। ও তো এমন নয়। তাই অভিযোগ যখন উঠেছে তখন তো প্রমাণ করতেই হবে।”