Malda: আলমারি খুলে আধার কার্ড বার করে! আর তাতেই সারাজীবনের জন্য নোংরা স্মৃতি বয়ে চলবে এই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী…কেন?

Malda: মালদহের ইংরেজবাজার থানা এলাকার তৃণমূল পরিচালিত যদুপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত।  অভিযুক্তের বাবা তৃণমূল নেতা, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য।  এই তৃণমূল সদস্যার কাছে আবাস যোজনায় তালিকায় নাম তোলার জন্যে বার বার আবেদন করে ওই পরিবার।

Malda: আলমারি খুলে আধার কার্ড বার করে! আর তাতেই সারাজীবনের জন্য নোংরা স্মৃতি বয়ে চলবে এই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী...কেন?
নিগৃহীতা নাবালিকা Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 11, 2025 | 12:02 PM

মালদহ: মাধ্যমিক পরীক্ষা সবে শেষ হয়েছে। বাড়িতে একাই ছিল পরীক্ষার্থী। এদিকে, আবার এবছরই তাদের আবাসের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আর সে সব প্রক্রিয়ার জন্য দরকার আধার কার্ড। পাড়ারই এক ‘দাদা’ আধার কার্ড চাইতে এসেছিল। ঘরের আলমারি খুলে আধার কার্ড নিতে ঢুকতেই পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে ওই ‘দাদা’। শরীর বেয়ে হাত উঠতে থাকে উপড়ে। আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল মালদহের ইংরেজবাজারে। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েও সমস্যায় পড়ে পরিবার। থানা প্রথমে অভিযোগ নিতে চাইছিল না বলে অভিযোগ। পরে দীর্ঘ চেষ্টায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।

মালদহের ইংরেজবাজার থানা এলাকার তৃণমূল পরিচালিত যদুপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত।  অভিযুক্তের বাবা তৃণমূল নেতা, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য।  এই তৃণমূল সদস্যার কাছে আবাস যোজনায় তালিকায় নাম তোলার জন্যে বার বার আবেদন করে ওই পরিবার। তৃণমূল প্রধান সানাউল সেখের কাছেও যায় বলে পরিবারের দাবি। কিন্তু লাভ হয়নি।

নাবালিকার বয়ান অনুযায়ী, এরপর সোমবার দুপুরে নাবালিকা একলাই ছিল। বাবা মা কাজে যান। অভিযোগ সেই সু্যোগে অভিযুক্ত এসে বলে তাঁদের নতুন ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। আবাস যোজনার টাকা ঢুকবে অনলাইনে। এরপর সে বিষয়টি বুঝিয়ে দেওয়ার নামে ঘরে ঢোকে। এরপরেই তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অকথ্য যৌন নির্যাতন শুরু করে। ধর্ষণের চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ।

কোনওমতে চিৎকার করতে করতে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসে নাবালিকা। বিধ্বস্ত অবস্থায় বাইরে বেরিয়ে গ্রামের কয়েকজনকে বলতে পারে। এরপরে অনেকেই ছুটে আসে কিন্তু ততক্ষণে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরে বিষয়টি এলাকার তৃণমূল প্রধানকে জানালে উল্টে তিনি নিজেই বিচার করে দেওয়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ তিনি তাঁদের থানায় অভিযোগ জানাতে বাধা দেন। এরপর রাতে থানায় অভিযোগ জানাতে পারে পরিবার।

নাবালিকার বক্তব্য, “আমাকে বলে আধার কার্ড দিতে হবে। আমি ঘরে ঢুকে আলমারি খুলছিলাম, আধার কার্ড বার করার জন্য। তখনই ও হঠাৎ করে পিছন থেকে এসে আমায় জড়িয়ে ধরে।”

যদিও তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ সানাউলকে এ বিষয়ে ফোন করা তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া না দিয়েই ফোন কেটে দেন। ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যার স্বামী তৃণমূল নেতা উত্তম মণ্ডল বলেন, “রাতে পুলিশ এসেছিল। পুলিশ দুই বাড়িতে গিয়েছিল। যা লেখালেখি করার করেছে। প্রশাসন তদন্ত করছে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us