Malda: কাপড় মেলা নিয়ে দুই জায়ে ঝগড়া, পরিণতি এমন হবে ভাবতেও পারেননি কেউ

Man killed by elder brother: মৃতের শ্যালক রফিকুল আলম বলেন, "আমার জামাইবাবু একটু দুর্বল বলে তাঁর উপর অত্যাচার করত তাঁর দাদা। জামাইবাবু না থাকলে আমার দিদিকেও মারধর করত। এদিন বাঁশ দিয়ে মাথার পিছনে মারে। চার-পাঁচজন মিলে মারে। তাতেই আমার জামাইবাবুর মৃত্যু হয়েছে। তাঁকে খুন করা হয়েছে। আমি দোষীর কঠোর শাস্তি চাই। তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।"

Malda: কাপড় মেলা নিয়ে দুই জায়ে ঝগড়া, পরিণতি এমন হবে ভাবতেও পারেননি কেউ
কী বলছেন মৃতের স্ত্রী?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 25, 2026 | 9:19 AM

মালদহ: দেওয়ালে কাপড় মেলা নিয়ে দুই জায়ের মধ্যে বিবাদ বেধেছিল। সেই বিবাদ গড়াল খুনোখুনিতে। ভাইকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। মৃতের নাম নুরুল ইসলাম (৩৬)। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত হেফজুর রহমান। তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মৃতের স্ত্রী।

মৃত নুরুলের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নানারাহী এলাকায়। জানা গিয়েছে, কাপড় মেলা নিয়ে নুরুল ও হেফজুরের স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ বাধে। সেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দুই পরিবারের সদস্যরা। তখনই বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে হেফজুর ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে দেন বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নুরুলের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। এদিকে, ঘটনার পর এলাকা ছাড়েন হেফজুর।

মৃতের স্ত্রী মমতাজ বেগম বলেন, “দেওয়ালের উপর কাপড় মেলা ছিল। ওরা গালিগালাজ দিতে দিতে বলে,এখান থেকে কাপড় সরা। আমাদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। হাঁসুয়া, বাঁশ নিয়ে ঢুকেছিল। আমরা স্বামীকে শেষ করে দিল। আমার ছোট ছোট তিনটে বাচ্চা রয়েছে। আমি কী নিয়ে বাঁচব?”

মৃতের শ্যালক রফিকুল আলম বলেন, “আমার জামাইবাবু একটু দুর্বল বলে তাঁর উপর অত্যাচার করত তাঁর দাদা। জামাইবাবু না থাকলে আমার দিদিকেও মারধর করত। এদিন বাঁশ দিয়ে মাথার পিছনে মারে। চার-পাঁচজন মিলে মারে। তাতেই আমার জামাইবাবুর মৃত্যু হয়েছে। তাঁকে খুন করা হয়েছে। আমি দোষীর কঠোর শাস্তি চাই। তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।” এর আগে পুলিশেও অভিযোগ জানালেও কোনও কাজ হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।