
ডোমকল: রাজ্যের মসনদে পালাবদলের পর এবার সাফল্যের মুখ দেখল সিপিএম। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের ডোমকল কেন্দ্রে জয়ের পর, এবার সাফল্য এল সেই ডোমকলেই। ডোমকলের ধুলাউড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা দখল করল সিপিএম (CPIM)। বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রধান নির্বাচিত হলেন সিপিএমের রুনা লায়লা বিবি। তৃণমূলের প্রধান পিঞ্জুরা বিবির জায়গায় নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন তিনি।
বাম-কংগ্রেস জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় একসময় প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন পিঞ্জুরা বিবি। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি মাসে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। অনাস্থা পর্বের পর রানিনগরের বিধায়ক জুলফিকার আলির হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন পিঞ্জুরা বিবি-সহ ১৬ জন তৃণমূল সদস্য। ফলে, ধুলাউড়ি অঞ্চল থেকে কার্যত মুছে যায় তৃণমূল।
এরপর পঞ্চায়েত দখলে শুরু হয় সিপিএম বনাম কংগ্রেসের লড়াই। অবশেষে বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচিত হব সিপিএম নেত্রী। যদিও এই প্রধান নির্বাচনে দু’জন কংগ্রেস সদস্যও সিপিএমকে ভোট দেন বলে জানা গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভবনে প্রবেশ করেন ১৫ জন সদস্য। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের ১৫ জন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় ভোটাভুটি কার্যত একতরফা হয়ে যায়। ১৫-০ ভোটে প্রধান নির্বাচিত হন রুনা লায়লা বিবি। নতুন প্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সিপিএমের কর্মী-সমর্থকরা।
প্রধান নির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই পঞ্চায়েত চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
উল্লেখ্য়, বিধানসভা নির্বাচনে একমাত্র ডোমকল আসন থেকেই জয়ী হয়েছেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রানা। তাঁর হাত ধরেই বামেদের শূন্যের গেরো কেটেছে বিধানসভায়।