AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সিপিএম

সিপিএম

ভারতের সবথেকে বড় বামপন্থী দল হল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই(এম)। ১৯৬৪ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি বা সিপিআই ভেঙে তৈরি হয়েছিল সিপিআইএম। পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় ছিল সিপিআই(এম)-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট। এখনও পর্যন্ত এটিই বিশ্বের সবথেকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকা, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকার। বেশ কয়েকবার সংসদে তৃতীয় বৃহত্তম দলও হয়েছে সিপিআই(এম)। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ত্রিপুরাতেও দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় ছিল সিপিআই(এম)। বর্তমানে, কেরল, বিহার, এবং তামিলনাড়ুর শাসক জোটের অংশ এই বাম দল। জ্যোতি বসু, ইএমএস নাম্বুদিরিপাদ, হরকিষেণ সিং সুরজিৎ, হরেকৃষ্ণ কোঞার প্রমুখ ছিলেন এই দলের বিশিষ্ট নেতা। বর্তমানে সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক হলেন সীতারাম ইয়েচুরি।

Read More

CPIM: অর্থাভাবে ভাড়ায় দেওয়া পার্টি অফিস এখন ‘গলার কাঁটা’, ভোটের আগে চাপে সিপিএম

CPIM in Bengal: গুসকরা শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লজপাড়ায় থাকা এই পার্টি অফিসটি ১৯৯৯ সালে উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। একসময় এখান থেকেই পরিচালিত হতো শহরের সমস্ত সাংগঠনিক কাজকর্ম। সেই পার্টি অফিস নিয়েই এখন যত ঝামেলা।

CPIM new Alliance: ‘শূন্য’-র গেরো কাটাতে নতুন সঙ্গী খুঁজে নিল সিপিএম? কাদের সঙ্গে মঞ্চে দেখা গেল?

Murshidabad: ওই সভায় সিপিএম নেতৃত্বের উপস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। ছাব্বিশের নির্বাচনে কি এসডিপিআই-র সঙ্গে জোট করবে সিপিএম? সভায় সিপিএম নেতৃত্বের থাকা নিয়ে এসডিপিআই-এর রাজ্য সভাপতি হাকিকুল ইসলাম বলেন, "জাতিগত বৈষম্য, ধর্মীয় বৈষম্য বেড়ে চলেছে। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন সভা করছি। তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে সেই সভায় আহ্বান জানাচ্ছি।"

West Bengal News Today Live: ‘অতিসক্রিয়তা’র অভিযোগ, ইডির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তৃণমূল

Breaking News in Bengali Live Updates: রাজ্যের এ প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে সভা করছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা। তবে শুধু রাজনৈতিক প্রচার নয়, একই সঙ্গে চলছে এসআইআর-এর শুনানিও। আজ সারাদিন কী হয়, নজর থাকবে সেখানেও...  

Shatarup Ghosh: চৌকস কথায় ‘পিএইচডি’, কিন্তু লেখাপড়ায় কতদূর শতরূপ?

Shatarup Ghosh education qualification: নির্বাচনী ময়দানে প্রথমবার শতরূপকে দেখা যায় ২০১১ সালে। রাজ্যে সেবছরই পালাবদল হয়। আর সেই পালাবদলের সময় তৃণমূলের জাভেদ আহমেদ খানের কাছে হেরে যান শতরূপ। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও কসবা থেকে তিনি সিপিএমের প্রার্থী হন। তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও নির্বাচনী ময়দানে এখন পর্যন্ত জয় পাননি শতরূপ। নির্বাচনী ময়দানে জয় না পেলেও বক্তৃতায় নজর কাড়েন।

Political leaders speeches: ‘বান্ধবী’ থেকে ‘বাবরি’, পঁচিশে নেতা-নেত্রীদের যেসব কথায় শোরগোল পড়ে

Political leaders speeches in 2025: আর মাস চারেক পর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের সময় যত এগিয়ে আসবে, রাজনৈতিক তরজা বাড়বে। সেই তরজা কতদূর গড়াবে, তা ভবিষ্যৎ বলবে। তার আগে দেখে নেওয়া যাক, ২০২৫ সালে রাজনৈতিক নেতাদের যে সব মন্তব্যে আলোচনার ঢেউ উঠেছে।

কালীগঞ্জে সমবায় ভোটে বামেদের কামাল, খাতাই খুলতে পারল না তৃণমূল

নদিয়ার কালীগঞ্জের নাম বললেই উঠে আসে নাবালিকা তামান্না খাতুনের নাম। গত ২৩ জুন কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে ফল ঘোষণার পর বোমাবাজিতে প্রাণ হারায় তামান্না। সেই কালীগঞ্জেই এবার সমবায় সমিতির নির্বাচনে শূন্য হল তৃণমূল। খাতাই খুলতে পারল না। সব আসনে জিতল বামেরা।দীর্ঘদিন ধরে এই সমবায়ে নির্বাচন হয়নি। এদিন হাইকোর্টের নির্দেশে সিসিটিভি ক্যামেরা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ হয়। এই সমবায় সমিতির নির্বাচনে ন’টি আসনেই জয়ী হন বাম সমর্থিত প্রার্থীরা। খাতা খুলতে পারেনি তৃণমূল। সমবায় সূত্রে জানা গিয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৫৪৬ জনের নাম ছিল। তার মধ্যে ৪৬৪ জন ভোট দেন। 

Cooperative Society election: তামান্নার এলাকায় সমবায় ভোটে শূন্য তৃণমূল, সব আসন পেল বামেরা

Nadia: সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, "মানুষ সুযোগ পেলেই নৈরাজ্যের ঘটনার জবাব দিয়েছেন। এখানে জিতে যাই, ওখানে জিতে যাই বলে সব অপরাধ মাফ, তৃণমূলের এই রাজনীতিরই জবাব দিয়েছেন মানুষ। সুযোগ পেলেই বোমার জবাব ব্যালটে দিচ্ছেন ভোটাররা। ভবিষ্যতেও তাই দেবেন।"

Naushad Siddiqui: বিমান বসুকে দেওয়ার চিঠির উত্তর পেয়েই আলিমুদ্দিনে হাজির নওশাদ

CPIM-ISF: গত বিধানসভা নির্বাচনে একজোট হয়ে লড়েছিল সিপিএম, কংগ্রেস ও আইএসএফ। কিন্তু সেই ভোটে শুধুমাত্র একটি আসন পায় আইএসএফ, বাকিরা কেউ খাতাই খুলতে পারেনি। এরপর ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে জোটের বিষয়ে আলোচনা হলেও সিপিএম ও আইএসএফ আসন সমঝোতা নিয়ে একমত হতে না পারায়, তারা পৃথকভাবেই লড়াই করে। পরে আবার উপ নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করে দুই দল।

Md Salim: স্ত্রী ডাক্তার, মহম্মদ সেলিমের শিক্ষাগত যোগ্যতা কত?

CPIM: একের পর এর পদ সামলেছেন সেলিম। দুটি টার্মে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন তিনি। পরে লোকসভা, বিধানসভায় একাধিকবার লড়ই করেন। ২০০১-এ রাজ্যের মন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি। দু'বার বিধায়ক, দু'বার সাংসদ হন সেলিম। শেষবার ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও লড়েছিলেন সেলিম, তবে জেতেননি। রাজ্য সম্পাদক হিসেবে আপতত দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

Minakshi Mukherjee: মাসে ৫০০০ টাকা ভাতা পাওয়া মীনাক্ষীর কোয়ালিফিকেশন জানেন

CPIM: পশ্চিম বর্ধমানের কুলটির মেয়ে মীনাক্ষী। কুলটিতেই পড়াশোনা। বাবা-মা দু'জনেই সিপিএমের সদস্য ছিলেন। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তাঁরা। তাই বাম রাজনীতির প্রতি কিছুটা সহজাতভাবেই আকৃষ্ট ছিলেন তিনি। কলেজে পড়ার সময় থেকেই বাম রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করেন মীনাক্ষী।