রেজিনগর: বদলের বাংলাতেও হুমায়ুন আছেন হুমায়ুনেই। বিজেপিকে নিশানা করে বেলাগাম হুমকি। ‘স্যাটাভাঙা’ মারের হুঁশিয়ারি। আবারও বিতর্কে নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদে হেরেও বিজেপি আস্ফালন করছে। ময়দানে নেমে যদি মার শুরু করি তাহলে বিজেপির পতাকা বহন করার লোক থাকবে না। লাখ লাখ লোককে রাস্তায় নামিয়ে দেব। মাথা গরম হয়ে গেলে মুখ্যমন্ত্রী, এসপি কিছুই বুঝব না। প্রশাসনকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে এ ভাষাতেই আক্রমণ করলেন হুমায়ুন।
রেজিনগরের সভা থেকে রীতিমতো সুর আরও চড়িয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান বলেন, “এখানে ভোটে হেরেও বিজেপি মনে করছে আমিই বিধায়ক। আমি শুভেন্দু অধিকারীকে সেদিন বলেছি আপনি ভোটে জিতেছেন, দল জিতেছে খুব ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে আস্ফালনটা কম করতে বলেন।” এরপরই রীতিমতো হুঙ্কারের সুরে বলেন, “এমন স্যাটাভাঙা মার দেব বিজেপির পতাকা বওয়ার লোক থাকবে না’ রেজিনগরে হুঙ্কার হুমায়ুনের আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব সেদিন এমন স্যাটাভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা বওয়ার লোক থাকবে না। আমি নিজেই নেতৃত্ব দিয়ে লাখ লাখ লোককে রাস্তায় নামাব, আর স্যাটাভাঙা মার দেব। আর জেলে যাব। কদিন জেলে রাখতে পারেন, খাওয়াতে পারেন দেখব। আমার মাথা যেদিন গরম হয়ে যায় সেদিন আমি এসপিও বুঝব না, মুখ্যমন্ত্রীও বুঝব না।”
চুপ করে নেই বিজেপিও। পাল্টা সুর চড়িয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁরও স্পষ্ট কথা, “এসব ডায়লগ দিয়ে একটু জনপ্রিয়তা পাওয়া যায়। তবে এসব বেশিদিন পশ্চিমবঙ্গে চলবে না কারণ সরকারটা বদলে গিয়েছে।” মমতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছিলেন এমন করো যাতে বিজেপি বলবে না নিজেকে। তাঁদের এখন লোক ভুলে গিয়েছে।”
রেজিনগর: বদলের বাংলাতেও হুমায়ুন আছেন হুমায়ুনেই। বিজেপিকে নিশানা করে বেলাগাম হুমকি। ‘স্যাটাভাঙা’ মারের হুঁশিয়ারি। আবারও বিতর্কে নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদে হেরেও বিজেপি আস্ফালন করছে। ময়দানে নেমে যদি মার শুরু করি তাহলে বিজেপির পতাকা বহন করার লোক থাকবে না। লাখ লাখ লোককে রাস্তায় নামিয়ে দেব। মাথা গরম হয়ে গেলে মুখ্যমন্ত্রী, এসপি কিছুই বুঝব না। প্রশাসনকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে এ ভাষাতেই আক্রমণ করলেন হুমায়ুন।
রেজিনগরের সভা থেকে রীতিমতো সুর আরও চড়িয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান বলেন, “এখানে ভোটে হেরেও বিজেপি মনে করছে আমিই বিধায়ক। আমি শুভেন্দু অধিকারীকে সেদিন বলেছি আপনি ভোটে জিতেছেন, দল জিতেছে খুব ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে আস্ফালনটা কম করতে বলেন।” এরপরই রীতিমতো হুঙ্কারের সুরে বলেন, “এমন স্যাটাভাঙা মার দেব বিজেপির পতাকা বওয়ার লোক থাকবে না’ রেজিনগরে হুঙ্কার হুমায়ুনের আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব সেদিন এমন স্যাটাভাঙা মার শুরু করব যে আপনাদের পতাকা বওয়ার লোক থাকবে না। আমি নিজেই নেতৃত্ব দিয়ে লাখ লাখ লোককে রাস্তায় নামাব, আর স্যাটাভাঙা মার দেব। আর জেলে যাব। কদিন জেলে রাখতে পারেন, খাওয়াতে পারেন দেখব। আমার মাথা যেদিন গরম হয়ে যায় সেদিন আমি এসপিও বুঝব না, মুখ্যমন্ত্রীও বুঝব না।”
চুপ করে নেই বিজেপিও। পাল্টা সুর চড়িয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁরও স্পষ্ট কথা, “এসব ডায়লগ দিয়ে একটু জনপ্রিয়তা পাওয়া যায়। তবে এসব বেশিদিন পশ্চিমবঙ্গে চলবে না কারণ সরকারটা বদলে গিয়েছে।” মমতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছিলেন এমন করো যাতে বিজেপি বলবে না নিজেকে। তাঁদের এখন লোক ভুলে গিয়েছে।”