Mysterious Death: চোখের সামনে ১১ হাজার ভোল্টে ঝলসে গেল যুবক! কিছুক্ষণের মধ্যেই রহস্যমৃত্যু বন্ধুরও
Birbhum: স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের হিরাপুরের বাসিন্দা যুবক সুব্রত পাল জলে ভেসে আসা ট্যাঙ্ক উদ্ধারের জন্য জলে নামেন। সেই সময় পাশে থাকা ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং জলের মধ্যে তলিয়ে যান।

বীরভূম: বোলপুরের কাশিমবাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু। এরপরই ঘর থেকে উদ্ধার হল তাঁর বন্ধুরও মৃতদেহ। একইদিনে দুই বন্ধুর মৃত্য়ুতে শোকের ছায়া নেমেছে পরিবার সহ গোটা এলাকায়।
টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বোলপুরের কাশিমবাজার এলাকা। ক্যানেলের জল উপচে পড়ে দু’দিকের এলাকা জলে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সেই জলে ভেসে আসছিল একটি জলের ট্যাঙ্ক। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। তাঁর নাম সুব্রত পাল। তাঁর মৃত্যুর ঘটনা দেখে, পরে তাঁর এক বন্ধুও আত্মঘাতী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের হিরাপুরের বাসিন্দা যুবক শুভজিৎ কর্মকার ও সুব্রত পাল জলে ভেসে আসা ট্যাঙ্ক উদ্ধারের জন্য জলে নামেন। জলে নেমেছিলেন শুভজিৎ, জল থেকে দড়ি ছুড়তেই সুব্রত সেটি ধরতে যান। সেই সময় পাশে থাকা ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং জলের মধ্যে তলিয়ে যান।
সুব্রতকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গেই। সেই কাজে হাত লাগান তাঁর বন্ধু শুভজিৎ কর্মকারও। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সুব্রতকে জল থেকে উঠতে না দেখে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর শুভজিৎকে কাছেই একটি ঘরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের দাবি, বন্ধুর মৃত্যু চোখের সামনে দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে শুভজিৎ আত্মঘাতী হন। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে সুব্রতের মৃত্যু হল এবং পরে শুভজিতের, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুভজিতের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
