SIR in Bengal: এক গ্রামে হাজার ভোটারের মধ্যে বাদ প্রায় ৪০০! ভোটের আগে চড়ছে ক্ষোভের পারদ

SIR Final List: এসআইআরের নিয়মে ২০০২ সালের তালিকায় নাম না থাকায় বহু প্রবীণ বাসিন্দারই নাম এবারের ফাইনাল লিস্টে আসেনি। শুনানিতেও ডাক পড়েছিল। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত নামের পাশে লেখা ডিলিটেড। ভোটের মুখে ভোটাধিকার হারানোয় স্বভাবতই ক্ষোভের বাতাবরণ গোটা গ্রামে।

SIR in Bengal: এক গ্রামে হাজার ভোটারের মধ্যে বাদ প্রায় ৪০০! ভোটের আগে চড়ছে ক্ষোভের পারদ
চাপানউতোর গোটা এলাকায় Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 02, 2026 | 10:26 PM

নদিয়া: এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকে তা নিয়ে চাপানউতোরের অন্ত নেই। এরইমধ্যে একই গ্রামের প্রায় হাজার ভোটারের মধ্যে বাদ গিয়েছে প্রায় ৪০০ জনের নাম। তা নিয়েই রীতিমতো আতঙ্কের আবহ। ঘটনা নদিয়ার কল্যাণীর চর যাত্রা সিদ্ধি গ্রামে। এখানেই ১১৩ নম্বর বুথে মোট ভোটার ছিলেন ১০১৩ জন। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, ৬৪২ জনের নাম থাকলেও ৩৭১ জনের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ লেখা। তা নিয়েই শুরু চাপানউতোর। 

এদিকে ভৌগোলিক কারণে নদিয়া-হুগলির টানাপোড়েনের জেরে দীর্ঘদিন থেকেই সমস্যায় ছিলেন এই এলাকার বাসিন্দারা। ভাগীরথী নদী ভাগ করেছে দুই জেলাকে। ফলে আগে অনেকেই ভোট দিতেন হুগলিতে। কিন্তু যদিও ২০০২ সালে প্রায় গোটা গ্রামই ভোট দিতে পারেনি। সেইবার তাঁদের নাম বাদ পড়েছিল বলে জানা গেছে। তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে বিস্তর জলঘোলাও হয়। পরবর্তীতে দুই জেলার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ২০০৯ সালে তাঁদের নাম নদিয়ার ভোটার তালিকায় তোলা হয়। ফলে সেই থেকেই তাঁরা কল্যাণী বিধানসভায় ভোট দিয়ে আসছেন। এখন এবার নতুন বিতর্ক। 

এসআইআরের নিয়মে ২০০২ সালের তালিকায় নাম না থাকায় বহু প্রবীণ বাসিন্দারই নাম এবারের ফাইনাল লিস্টে আসেনি। শুনানিতেও ডাক পড়েছিল। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত নামের পাশে লেখা ডিলিটেড। ভোটের মুখে ভোটাধিকার হারানোয় স্বভাবতই ক্ষোভের বাতাবরণ গোটা গ্রামে। চিন্তা ঘুম উড়েছে অনেকেরই। সকলের একটাই দাবি, দ্রুত তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করা হোক। ঘটনা নিয়ে আশপাশের এলাকাতেও শুরু হয়েছে চর্চা। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত জল কোনদিকে গড়ায়।