
নদিয়া: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে ভাঙচুর-তাণ্ডব কিংবা চিকিৎসকদের নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে। এবার উলটপুরাণ। রোগীর আত্মীয়দেরই বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালের ইন্টার্ন ও হাউসস্টাফদের বিরুদ্ধে। স্বাভাবিকভাবেই অভিযোগ ঘিরে শোরগোল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে কল্যাণী মাঝেরচর এলাকায় একটি পথ দুর্ঘটনায় আহত হন ওই এলাকার বাসিন্দা মঞ্জু দাস। সেই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, ওই সময় ভিডিয়ো করছিলেন রোগীর আত্মীয়রা। ভিডিয়ো করতে বাধা দেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাই নিয়েই বচসার সূত্রপাত। ঝামেলার মাঝেই রোগীর আত্মীয়কে মারধর করার অভিযোগ ওঠে জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে।
আরও অভিযোগ, এরপর মাঝেরচর এলাকার একদল যুবক হাসপাতালে এলে তাঁঁদেরকেও বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে হাসপাতালের হাউসস্টাফ ও ইন্টার্নদের বিরুদ্ধে। পাল্টা জুনিয়র চিকিৎসকদেরও পাল্টা মারধরের অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কল্যাণী থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণ দাস ও মতিলাল দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মারামারিতে গুরুতর আহত হয়েছেন সুমন জানা ও বৈভব উপাধ্যায় নামে দুই জুনিয়র চিকিৎসকও। অতিরিক্ত সুপার সৌম্যজ্যোতি বন্ধপাধ্যায় বলেন, “একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই এখন মোবাইল বার করে ভিডিয়ো করতে থাকেন। সেই ভিডিয়ো করতে বারণ করা হয়েছিল। যাঁরা ছিলেন, তাঁরা উত্তেজিত হয়ে ডাক্তারদের মারধর করেন, জুনিয়র ডাক্তাররাও আহত হন।”