Nadia: ছেলেধরা সন্দেহে আবারও ‘গণপিটুনি’, উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ! আবারও ঘটনাস্থল তেহট্ট

Nadia Mob Lynching: এই ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মীও জখম হন। এরপর ওই ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। সেখান থেকে তাঁকে শক্তিনগর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার রুজু করে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তদের কৃষ্ণনগর আদালতে পাঠিয়ে পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আবেদন করা হয়। পাঁচ দিনে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

Nadia: ছেলেধরা সন্দেহে আবারও গণপিটুনি, উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ! আবারও ঘটনাস্থল তেহট্ট
ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 06, 2026 | 6:16 PM

নদিয়া: তেহট্টে গণপিটুনিতে দু’জনের মৃত্যুর পর আবার ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির অভিযোগ। তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ। নির্মম অমানবিক অত্যাচারের মারধরের ছবি ভাইরাল। স্বতঃপ্রণোদিত মামলার রুজু করে ১১ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনাটি নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার হরনগর এলাকার। ধৃতদের আজ কৃষ্ণনগর আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

এই ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মীও জখম হন। এরপর ওই ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। সেখান থেকে তাঁকে শক্তিনগর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার রুজু করে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তদের কৃষ্ণনগর আদালতে পাঠিয়ে পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আবেদন করা হয়। পাঁচ দিনে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ও সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি দেখে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ করা চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকেও এই ধরনের গুজবের ঘটনা বিরত থাকার জন্য প্রত্যেকটি থানা থেকে আবেদন করা হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত ছেলেধরা গুজব রটছে। আর সেই গুজবের জেরে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় গণপিটুনির অভিযোগ উঠছে। কিছুদিন আগে মেদিনীপুরে এক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারকে চোর সন্দেহে গণপিটুনির অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘদিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হার মানেন। ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা এখনও বিচারাধীন। তার মধ্যেই মালদহে এক মহিলাকে ছেলেধরা সন্দেহে এক মহিলাকে গণপিটুনির অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি বীরভূমের একটি গ্রামেও একই ধরনের গুজব ছড়ায়। পুলিশের পক্ষ থেকে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারপরও এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।