Voter List: দু’জায়গার ‘ভোটার’ লিস্টে জ্বলজ্বল করছিল তৃণমূলের শেফালি খাতুনের নাম! নেত্রী বললেন ‘জানতামই না’
Voter List: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই দুই ভোটার তালিকা। এরপরই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। নেওয়া হল ব্যবস্থা।

নদিয়া: ভুয়ো ভোটার ধরতে কর্মসূচি শুরু করেছে তৃণমূল। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোটার তালিকা থেকে ভুয়ো নাম বের করতে হবে। নেতা-মন্ত্রীরা সেই নির্দেশ মেনে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে দেখা যাচ্ছে তাঁদের। এরই মধ্যে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। খোদ তৃণমূলেরই নেত্রীর নাম রয়েছে দুই জায়গার ভোটার লিস্টে! অথচ নেত্রী জানেনই না!
নদিয়ার ঘটনা। নাকাশিপাড়ার ভোটার লিস্টেও নাম রয়েছে তৃণমূল নেত্রী শেফালি খাতুনের, আবার কালীগঞ্জ বিধানসভার তালিকাতেও জ্বলজ্বল করছে তাঁর নাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই দুই ভোটার তালিকা। এরপরই নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। নেওয়া হল ব্যবস্থা।
শেফালি খাতুনের পরিচয় শুধুমাত্র তৃণমূল নেত্রী হিসেবে নয়, তিনি কালীগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিও। প্রশ্ন হল, তৃণমূল নেত্রীর নাম দুই বিধানসভার ভোটার তালিকায় উঠল কীভাবে?
জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেত্রীর শ্বশুরবাড়ি নাকাশিপাড়া বিধানসভার পালিতবেঘিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। পরে তাঁরা কালীগঞ্জের দেবগ্রামে চলে যান। সেখানেই ভোটার কার্ড করিয়ে নেন। শেফালি খাতুনের দাবি, তিনি জানতেন না যে এভাবে দু জায়গায় তাঁর নাম রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিস্ট প্রকাশ্যে আসার পরই তিনি জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের কালীগঞ্জ ব্লকের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত। তার মধ্যে দুটি পঞ্চায়েত নাকাশিপাড়ার বিধানসভার মধ্যে পড়ে। আমাদের গ্রামের বাড়ি নাকাশিপাড়া বিধানসভার পালিতবেঘিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেই। সেই হিসেবে আমাদের ভোটার কার্ড ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে ছিল। কিন্তু এখন আমরা বাস করি দেবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে, যা কালীগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত। আমরা পালিতবেঘিয়া থেকে দেবগ্রামে ভোটার কার্ড বদল করেছি।”
শেফালি জানান, নির্বাচন কমিশনের অফিসে আবেদন করেছেন, যাতে ওই নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। TV9 বাংলায় সেই খবর সম্প্রচার হওয়ার কিছুক্ষণ পরই দেখা যায় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে থাকা তালিকায় নাকাশিপাড়া থেকে বাদ পড়েছে শেফালির নাম। তবে এই ঘটনায় আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, তৃণমূল আসলে ভুয়ো ভোটার তৈরি করে। একজন প্রশাসক হিসেবে কীভাবে এত দায়িত্বজ্ঞানহীন করে!
