Explosive Recovery: দশমীর রাতে দত্তপুকুরের ব্যস্ত রাস্তা কর্ডন করল NSG কম্যান্ডোরা, হাজির NIA-ও! একটা গাড়ি ঘিরেই তুমুল আতঙ্ক…কী ছিল?

NIA-NSG Investigation: গতকাল, ২১ অক্টোবর দত্তপুকুরে যশোর রোডের উপর একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়। দুপুরের পর থেকে সাদা রঙের গাড়িটি রাস্তার ধারেই পড়েছিল। এলাকার মানুষরা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে গাড়িটি তল্লাশি চালাতেই শোরগোল পড়ে যায়।

Explosive Recovery: দশমীর রাতে দত্তপুকুরের ব্যস্ত রাস্তা কর্ডন করল NSG কম্যান্ডোরা, হাজির NIA-ও! একটা গাড়ি ঘিরেই তুমুল আতঙ্ক...কী ছিল?
এই গাড়ি ঘিরেই আতঙ্ক। এলাকা ঘিরল এনএসজি।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Oct 22, 2026 | 9:01 AM

বারাসাত: দশমীর রাতে দত্তপুকুরে হইচই। যশোর রোডের উপর একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ঘিরে তৈরি হল আতঙ্ক।  ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বারাসাত জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। হাজির হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। পাশাপাশি উপস্থিত হয় বম্ব স্কোয়াডও। কী মিলল তল্লাশিতে?

গতকাল, ২১ অক্টোবর দত্তপুকুরে যশোর রোডের উপর একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়। দুপুরের পর থেকে সাদা রঙের গাড়িটি রাস্তার ধারেই পড়েছিল। এলাকার মানুষরা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে গাড়িটি তল্লাশি চালাতেই শোরগোল পড়ে যায়। খবর পাওয়া যায় যে গাড়িটির মধ্যে তরল কোনও কেমিক্যাল রয়েছে। এরপরই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বারাসাত জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বোম স্কোয়াড। ঘটনাস্থলে আসে এনআইএ (NIA) আধিকারিকরাও।

পরে জানা যায়, ওই গাড়িতে সত্যিই বিস্ফোরক জাতীয় জিনিস ছিল। ছয়টি প্যাকেট হলুদ রঙের রাসায়নিক ও একটি সাদা রঙের রাসায়নিকের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় গাড়ি চালককে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। পরে গাড়ির  মালিক রাকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয় বিস্ফোরক পাচারের অভিযোগে।

কী ছিল গাড়িতে?

বেঙ্গল এসটিএফ, এনআইএ ও এনএসজি-র যৌথ তল্লাশিতে এক কেজির বেশি স্পেন্টার, অল্প কিছু সিঁদুর , অ্যামোনিয়া নাইট্রেট-এর মতো বিস্ফোরক পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া রাসায়নিকগুলিকে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শক্তিশালী কোনও বিস্ফোরক না পাওয়ায় এনআইএ ও এনএসজি-কে ফিরে যেতে হয়। তবে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দত্তপুকুর থানায় পুলিশ মামলার রুজু করেছে। কীভাবে ওই রাসায়নিক গাড়িতে এল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে পুলিশ সূত্রে খবর, বিস্ফোরকের মতো যে পদার্থ পাওয়া গিয়েছে, সেটি বিশেষ শক্তিশালী কিছু নয়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। যারা এটা এনেছিল, তারা ব্যবসার কাজে বাংলাদেশে গিয়েছে। সেখানেও সন্দেহভাজন কিছু আদান-প্রদান হয়নি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us