Baduria: তৃণমূল না করায় ‘উন্নয়ন’ থেকে ‘বঞ্চিত’! ক্ষোভ জমছে গরিব মানুষগুলোর মনে

Baduria Chaos: অভিযোগ, বিরোধী দলের সমর্থক হওয়ার কারণেই নাকি সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া বিধানসভা এলাকার নয়াবস্তিয়া মিলনী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে ইছামতির পাড়ে কারিগরপাড়া এলাকায় থাকেন মাজেদা বিবি , তাহরিমা বিবি, আব্দুল মাজেদ, এবাদুল্লাহ মণ্ডল। সিপিএম সমর্থক বলেই পরিচিত তাঁরা। শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।

Baduria: তৃণমূল না করায় উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত! ক্ষোভ জমছে গরিব মানুষগুলোর মনে
বাদুড়িয়ার 'বঞ্চিত' পরিবারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: Soumya Saha

Feb 06, 2024 | 5:46 PM

বাদুড়িয়া: এলাকায় তাঁরা সিপিএম সমর্থক বলেই পরিচিত। আর পঞ্চায়েত রয়েছে তৃণমূলের হাতে। সেই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে এবার ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলছেন এলাকার সিপিএম সমর্থক পরিবারগুলি। অভিযোগ, বিরোধী দলের সমর্থক হওয়ার কারণেই নাকি সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া বিধানসভা এলাকার নয়াবস্তিয়া মিলনী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে ইছামতির পাড়ে কারিগরপাড়া এলাকায় থাকেন মাজেদা বিবি , তাহরিমা বিবি, আব্দুল মাজেদ, এবাদুল্লাহ মণ্ডল। সিপিএম সমর্থক বলেই পরিচিত তাঁরা। শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।

সিপিএম সমর্থক ওই পরিবারগুলির দাবি, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দল করার জন্য আমাদের মাটির বাড়ি-ঘর, পেপার আর খোলার ছাউনি হওয়া সত্ত্বেও আবাস যোজনার বাড়ি থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি পানীয় জল, স্বচ্ছ ভারত মিশনের বাথরুম-সহ বিভিন্ন পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। তৃণমূল দল না করার কারণে, ঢালাই রাস্তাও আমাদের বাড়ির সামনের অংশ থেকে বাদ রাখা হয়।’ কারিগর পাড়ার বাসিন্দাদের এই অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গিয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে। ‘বঞ্চিত’ পরিবারগুলির বক্তব্য স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছে একাধিকবার দরবার করেও এখনও কোনও সুরাহা হয়নি।

সিপিএমের বাদুড়িয়া ২ অঞ্চল কমিটির সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, ‘তৃণমূল আসার পর থেকে এই বুথে কোনও কাজ হয় না। এরা খুব গরিব মানুষ। বামফ্রন্টের সময়ে আমরা কিছু ঘর করে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে বাংলার আবাস যোজনায় এই গরিব মানুষগুলির নাম তালিকাভুক্ত করা হয়নি। তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। এই নয়াবস্তিয়া অঞ্চল দুর্নীতির পীঠস্থান হয়ে উঠেছে।’

যদিও পঞ্চায়েত প্রধান সঞ্জীব মণ্ডলের বক্তব্য, ওই বুথের থেকে এলাকাবাসীরা কখনও তাঁর কাছে কোনও অভিযোগ জানাননি। সিপিএম করার কারণে বঞ্চিত, এই অভিযোগও মানতে নারাজ তিনি। বলছেন, ‘অতীতে কী হয়েছে, তা আমি বলতে পারব না। ছ’মাস হল আমি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি। তারপর থেকে যে যখন এসেছেন, সকলকে সমানভাবে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে এসে এলাকাবাসীরা জানালে, আমি নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করব।’

Follow Us