
বারাসত: কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করানো হয় বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Suvendu Adhikari)। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর চালানো হয় গুলি। মৃত্যু যুবকের। ঘটনার পর থেকে তোলপাড় এলাকা। কিন্তু কারা খুন করল তাঁকে? তবে কি রাজনৈতিক হিংসার বলি চন্দ্রনাথ? এই প্রশ্নের মধ্যেই বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh) ও বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কুদেব পন্ডার (Sankudeb Panda) মুখে বড় কথা।
অর্জুনের সন্দেহ এর পিছনে রয়েছে তৃণমূল। সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তোলেন তিনি। বলেন, “পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক ৯ এমএম দিয়ে খুন। এটা এজেন্সির থেকে শিখে আসা ট্রেন্ড কিলার। খুনি কত রকমের হয়? এক ধরনের হয় প্রফেশনাল বা এজেন্সি মারফত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা ভাল অফিসার তো খুনের মাস্টার। সে কোনও লোককে হয়ত ভাড়া করেছে বাংলাদেশ থেকে। গাড়িতে তিনজন ছিল…একজন মাথা নিচু করে বেঁচেছে। চালকের গুলি লেগেছে আর চন্দ্রর লেগেছে।”
অপরদিকে, শঙ্কু বলেন, “প্রি প্ল্যান্ড ছিল। রেইকি করা হয়েছে। তারপর চন্দ্রনাথকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি নির্বাচনে হারের পরও শিক্ষা হয়নি। এদের সরাসরি ইনভলমেন্ট আছে। তিনঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পর এখনও অ্যাকশন নেয়নি।” বস্তুত, শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির জয়ের অন্যতম কান্ডারি। হয়ত পরে তিনি মুখ্যমন্ত্রীও হতে পারেন। তাঁরই আপ্ত-সহায়ককে এভাবে গুলি করে খুনের ঘটনা নিতান্তই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে। তবে চন্দ্র একা নন, বসিরহাটে আরও রোহিত রায় নামে আরও এক বিজেপি কর্মীকে গুলি করার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।