
উত্তর ২৪ পরগনা: বাড়িতে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগ। গ্রেফতার বনগাঁ জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। সোমবার দুপুরে প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেও একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। গোপালনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিশ্বজিৎ দাসকে। তিনি এই অস্ত্র কোথা থেকে পেলেন, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
বনগাঁর তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দাস বছর সাত আগে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন পদ্মশিবিরে। একুশের বিধানসভা ভোটে তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাগদা থেকে জেতেন। তার আগে দু’বার বিধানসভা ভোটে অর্থাৎ ২০১১ ও ২০১৬ সালে বিশ্বজিৎ দাস ছিলেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে ২০২১-এ বাগদার বিজেপি বিধায়ক হওয়ার পর ফের ফিয়ে আসেন তৃণমূলে। বাগদার বিধায়ক পদ ছেড়ে আসেন তিনি। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি হন তিনি।
কিন্তু ছাব্বিশের নির্বাচনের পর যখন ছন্নছাড়া হয়ে যায় তৃণমূল, মমতা তৃণমূল ছেড়ে ঋত-শিবির অর্থাৎ ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। দীর্ঘদিন তিনি বনগাঁর বাইরেই ছিলেন। সোমবার তিনি কোনও কাজে এলাকাতে আসতেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস গ্রেফতার প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে জনগণের সরকার চলছে। পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব থাকে সমাজব্যবস্থাকে শুধরানোর। তাদের কাছে খবর ছিল সেই কারণে তাকে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়অস্ত্র উদ্ধার করেছে। বিশ্বজিৎ ক্ষমতায় থাকাকালীন হিরোইনের ব্যবসা , গাঁজার ব্যবসা , গরুর ব্যবসা চালিয়েছেন। আমি পুলিশের কাছে অনুরোধ করব , তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”