Gaighata Encounter: ‘ঘটনার রাতে বাড়িতে রিল্যাক্সে শুয়েছিল…ভাবতে পারিনি দাদা এটা করবে’, বলছেন গাইঘাটার এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্তের ভাই

Gaighata Encounter News Update: খুন ও ধর্ষণের ঘটনা প্রসঙ্গে প্রহ্লাদের ভাই জানান, এই বিষয়ে খুব একটা তিনি জানেন না। বলেন, "ওইদিন রাতে ঘটনা করে এসে বাড়িতে রিল্যাক্সে শুয়েছিল। পরদিন বাড়িতে পুলিশ এসে ওকে তুলে নিয়ে চলে গেল। কোনও কথা বলেনি আমাদের। শুধু বলেন, বড়বাবু দেখা করতে বলেছে। এইটুকু জানি ওই বিষয়। আর কিছু বলতে পারব না।"

Gaighata Encounter: ঘটনার রাতে বাড়িতে রিল্যাক্সে শুয়েছিল...ভাবতে পারিনি দাদা এটা করবে, বলছেন গাইঘাটার এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্তের ভাই
মৃতের ভাইImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Oct 27, 2026 | 12:50 PM

গাইঘাটা: গাইঘাটায় এনকাউন্টারের (Gaighata Encounter) ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে প্রহ্লাদ দাসের। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের পর তাঁদের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় ওই অভিযুক্ত। এদিকে, প্রহ্লাদের ভাই বলছে দাদা এরকম কাজ করবে ভাবতে পারছেন না তিনি। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল সেই বিষয়েও জানিয়েছেন অভিযুক্তের ভাই।

গাইঘাটায় নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ

গত রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকার একটি বাড়ির পিছন থেকে নাবালিকার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকার মা অভিযোগ করেছিলেন, শনিবার রাতে মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। মেয়ে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছিল। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ পাননি। তারপরই রবিবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। তারপর রবিবার রাতেই প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মৃতের ভাই কী বলছেন?

খুন ও ধর্ষণের ঘটনা প্রসঙ্গে প্রহ্লাদের ভাই জানান, এই বিষয়ে খুব একটা তিনি জানেন না। বলেন, “ওইদিন রাতে ঘটনা করে এসে বাড়িতে রিল্যাক্সে শুয়েছিল। পরদিন বাড়িতে পুলিশ এসে ওকে তুলে নিয়ে চলে গেল। কোনও কথা বলেনি আমাদের। শুধু বলেন, বড়বাবু দেখা করতে বলেছে। এইটুকু জানি ওই বিষয়। আর কিছু বলতে পারব না। আমার দাদা ওদের পরিবারে বলেছিল, কিন্তু মেয়েটা শোনেনি। আমি ভাবতে পারিনি যে দাদা এটা করবে। ও এমন একটা ছেলে যে কেউ বলতে পারবে না ও এই কাজটা করেছে। সবাই আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে।”

এনকাউন্টারের বিষয়ে অভিযুক্তের ভাই বলেন, “পুলিশ তাদের প্রথমে কিছু জানায়নি। সকালে পুলিশের ফোন আসে বাড়িতে। বাবা-মাকে ডেকে পাঠায়। তারপর তারা বেরিয়ে যায়। এখন শুনতে পাচ্ছি এনকাউন্টার হয়েছে। হাসপাতালে দাদার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us