
গাইঘাটা: ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছক কষেছিলেন পালিয়ে যাওয়ার। সেই মতো চেষ্টাও করেছিলেন। শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে পুলিশের গাড়ি থেকে নামেন। অভিযোগ, আর তারপরই পুলিশেরই রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এরপরের দৃশ্যপট ঠিক যেন হিন্দি সিনেমার মতো। আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশকে রীতিমতো ঝাঁপ দিতে হয়। আর তারপর পাল্টা গুলি ছোড়েন আধিকারিকরা। আর তাতেই মৃত্যু অভিযুক্তের। সোমবার গাইঘাটায় ধর্ষণে অভিযুক্তর এনকাউন্টারের ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সেই মন্তব্য,’দিনে জমা রাতে খরচ’।
গত রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকার একটি বাড়ির পিছন থেকে নাবালিকার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, মায়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। পরে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছিল। কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ ছিল না। এরপর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় মৃতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁকেই গ্রেফতার করে পুলিশ।
কীভাবে এনকাউন্টার?
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার ঘটনার পুর্ণনির্মণ করে ফিরছিলেন অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, ফিরে আসার সময় প্রস্রাবের পেয়েছে বলে অভিযুক্ত পুলিশের গাড়ি থামাতে বলে। সেই মতো তাঁকে পুলিশ কর্মীরা গাড়ি থেকে নামান। অভিযোগ, তখনই একজন পুলিশ কর্মীর হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকর্মীকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশকর্মী পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। পুলিশ কর্মী আহত হয়। আত্মরক্ষাতে পুলিশকর্মীরা পাল্টা গুলি চালান। অভিযুক্তর পায়ে ও একাধিক জায়গায় গুলি লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে মৃত্যু হয় তাঁর।