
বসিরহাট: সংসদে এনসিপিআই (NCPI)-এর ভবিষ্যৎ এখনও ঝুলে। এনডিএ শরিক হিসেবে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া নেতা-নেত্রীদের নামের পাশে এখনও লেখা হচ্ছে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম। অথচ বাংলার পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে দখল নিতে দেখা যাচ্ছে সেই দলকে। বহু কর্মী মমতা-তৃণমূল ছেড়ে যোগদান করছেন এই দলে।
বাংলার নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর ২০ জন সাংসদ বিক্ষুব্ধ হিসেবে তৃণমূল ছাড়ার কথা বলেন। পরে তাঁরা এই স্বল্প পরিচিত রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। সংসদে তাঁদের স্বীকৃতি এখনও না মিললেও, এনডিএ-র বৈঠকে দেখা যায় কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো নেতা-নেত্রীদের।
এবার উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে দেখা গেল, তৃণমূলের বড় ভাঙন। তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন NCPI-তে। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের মুরারিশাহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩ জন ও বগজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ জন সদস্য তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। এই দুটি পঞ্চায়েত দখল করল এনসিপিআই।
মুরারিশাহ গ্রাম পঞ্চায়েতে ও বগজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যরা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে জানান, তৃণমূলের দুর্নীতিতে তাঁরা বিরক্ত। কাজও ঠিকভাবে করা যাচ্ছিল না। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, পানীয় জলের সুব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের স্বার্থেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনমুখী কাজকর্ম ও নীতি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁরা এই দলে যোগ দিয়েছেন।
এনসিপিআই-এর মুখপাত্র অনুরাগ সিংহ বলেন, “অনেকেই পঞ্চায়েতের সদস্য হলেও কাজ করতে পারছিলেন না। সেই কারণেই তাঁরা এই দলের অংশ হয়েছেন।”