
নৈহাটি: আর কয়েকটা দিন। তারপরই কালীপুজো (Kali Puja 2026)। এই পুজোতেই বেশ কিছু বড়-বড় জায়গায় কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন। তেমনই একটি পুজো হল বড় মায়ের পুজো। নৈহাটিতে এই কালীকে পুজো দিতে এবং তাঁর দর্শনের জন্য অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। এবার এই পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। চোর বাগানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক সরকার। এবার নৈহাটির বড় মায়ের পুজোয় থাকছে না কোনও VIP গেট।
রবিবার নৈহাটির বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। আজ বড় মায়ের খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী। চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে আর না সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, “চোরবাগানের ঘটনা আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আমরা আগে থেকে ব্যারিকেড দিয়ে দেব। প্রতিমা কীভাবে বিসর্জন হবে সবটা দেখে নেব। এছাড়া পুলিশ, NGO আমাদের কার্যকর্তা সবই থাকবে।”
২০২৬ সালের মহাষ্টমীর দিন উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গাপুজো প্যান্ডেলেপদদলিত হন বেশ কয়েকজন মানুষ। ১৭ অক্টোবর সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। সেই সময় বৃষ্টির জন্য বহু দর্শনার্থী মণ্ডপ থেকে না বেরিয়ে তার ভিতরেই ভিড় জমাতে থাকেন। মণ্ডপরে একাংশ কোনওভাবে ভেঙে পড়ে। সেটি আবার মাইকে জানানো হয়। এর জেরে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ে। সকলেই ছোটাছুটি করে মণ্ডপ থেকে বেরতে শুরু করেন। ভিড়ের চাপে প্রায় ১৯ জন প্রাণ হারান। সেই ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত।