SIR: জেলাশাসকের পাঁচতলার অফিস থেকে লাইন পৌঁছল বাসস্ট্যান্ডে… এখন হাজার হাজার মানুষ কীসের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন?

Barasat: ওঁরা প্রত্যেকে আবেদনপত্র হাতে নিয়ে লাইন দিয়েছেন। ডিএম অফিসের পাঁচতলা থেকে শুরু করে এই লাইন পৌঁছে গিয়েছে বারাসত আদালত হয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে। সংশয়ে রয়েছেন আদতেও ওই অ্যাপ্লিকেশন করার পর নাম, তাঁদের উঠবে কিনা সেটা তাঁরা জানেন না। কিন্তু সকলে জমা দিচ্ছেন তাই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েছেন।

SIR: জেলাশাসকের পাঁচতলার অফিস থেকে লাইন পৌঁছল বাসস্ট্যান্ডে… এখন হাজার হাজার মানুষ কীসের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন?
বারাসতের জেলাশাসকের অফিসের বাইরে ভিড়Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 05, 2026 | 1:40 PM

উত্তর ২৪ পরগনা: ওঁদের প্রত্যেকের নাম ‘বিচারাধীন’। হাজার হাজার মানুষ ডিএম অফিসের নীচে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এসআইআর-এ ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম ‘ডিলিট’ হয়ে গিয়েছে। কারোর বাবার নাম মায়ের নাম ছিল ২০০২ সালে, অথবা কারও একদমই ছিল না। কিন্তু যেভাবে নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। জানতে পেরেছেন, বিএলএ-এর মাধ্যমে ডিএম অফিসে অ্যাপ্লিকেশন জমা নেওয়া হচ্ছে পুনরায় নাম তোলবার জন্য।

ওঁরা প্রত্যেকে আবেদনপত্র হাতে নিয়ে লাইন দিয়েছেন। ডিএম অফিসের পাঁচতলা থেকে শুরু করে এই লাইন পৌঁছে গিয়েছে বারাসত আদালত হয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে। সংশয়ে রয়েছেন আদতেও ওই অ্যাপ্লিকেশন করার পর নাম, তাঁদের উঠবে কিনা সেটা তাঁরা জানেন না। কিন্তু সকলে জমা দিচ্ছেন তাই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েছেন।

অফিসে যাওয়ার আগে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, “আর বলার মতো কোনও ভাষা নেই।  জীবন শেষ আমাদের।” আর কিছু বলতে চাইলেন না তিনি। তাঁর সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এক বয়স্ক মহিলা। তিনি বলেন, “১০৫ বছর বয়স দেখাচ্ছে। হিয়ারিংয়ে ডেকেছিল, গিয়েছি। ২০০২ সালে নাম রয়েছে, তা সত্ত্বেও ডেকেছে।” আরেক মহিলা বলেন, “মানুষের জীবনে ঝড় উঠিয়ে দিয়েছে। আর সহ্য হচ্ছে না।” রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ। এক জন বললেন, “রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছি। এখন আমাদের দেখবে উপরওয়ালা, আর কমিশন।”

Follow Us