Two sisters drown in Ganga: গৃহপ্রবেশের জন্য গঙ্গার জল নিতে এসেছিলেন, তলিয়ে গেলেন ২ বোন
Sisters swept away by strong tide: ব্যারাকপুর মঙ্গল পাণ্ডে ঘাটে গঙ্গার জল নিতে এসেছিলেন বছর কুড়ির আঁচল ঠাকুর ও তাঁর পরিবার। তাঁদের সঙ্গে এসেছিলেন বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা বছর আঠারোর কোমল ঠাকুর। সম্পর্কে আঁচল ঠাকুরের তুতো বোন কোমল।

কলকাতা: একদিন পরই বাড়িতে অনুষ্ঠান। খুশির আমেজ। গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানের জন্য় গঙ্গা থেকে জল ও মাটি আনতে গিয়েছিলেন পরিবারের লোকজনরা। আর সেখানেই ঘটে গেল মর্মান্তি ঘটনা। গঙ্গায় স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন দুই তুতো বোন। একজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। অন্য জনের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের মঙ্গল পাণ্ডে ঘাটে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন দুই যুবতীর আত্মীয় পরিজনরা। পুলিশের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার বাড়িতে গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই জন্য ব্যারাকপুর মঙ্গল পাণ্ডে ঘাটে গঙ্গার জল নিতে এসেছিলেন বছর কুড়ির আঁচল ঠাকুর ও তাঁর পরিবার। তাঁদের সঙ্গে এসেছিলেন বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা বছর আঠারোর কোমল ঠাকুর। সম্পর্কে আঁচল ঠাকুরের তুতো বোন কোমল।
বাড়ির লোকজনের উপস্থিতিতে দুই বোন গঙ্গায় স্নান করতে নামেন। তখনই গঙ্গায় ছিল জোয়ার। জোয়ারের টানে ভেসে যান দুই বোন। তা দেখে হইচই শুরু করেন সবাই। আসে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। আঁচল ঠাকুরকে ব্যারাকপুর অন্নপূর্ণা ঘাটের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কোমল ঠাকুরের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। শোকার্ত পরিবার গঙ্গার ঘাটে বসে রয়েছে। কোমল ঠাকুরকে উদ্ধারে পুলিশ তৎপরতা দেখাচ্ছে না বলে তাদের অভিযোগ।
দেবচাঁদ ঠাকুর নামে ওই দুই যুবতীর আত্মীয় বলেন, “আমরা ৬-৭ জন ছিলাম। ওরা দু’জন স্নান করতে নেমেছিল। পা পিছলে দু’জনে জলে তলিয়ে যায়। পুলিশ বলছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আবার যার দেহ উদ্ধার হয়েছে, মৃতদেহ ভ্যানে করে নিয়ে গিয়েছে।”
