দুর্গাপুর: বিধায়ক হওয়ার পরই বেড়েছে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে এমনই অভিযোগ প্রাক্তন বিজেপি নেতার। প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও সেই অভিযোগ জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে বিধানসভার স্পিকারকে। স্থানীয় সংবাদপত্রে এই খবর প্রকাশের পরে সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা জবাব দিলেন বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ খারিজ করলেন। বললেন, তাঁর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি বৃদ্ধি, পরিবারের সদস্যদের চাকরি এবং স্ত্রীর নামে জমির মালিকানা নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়। এই অভিযোগের উপর ভিত্তি করে স্থানীয় সংবাদপত্র খবর করে। সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা খবরের অভিযোগ দায়ের করেছেন বিধায়ক।
বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পর থেকেই লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একসময়ের লাখপতি থেকে তিনি এখন কোটিপতি হয়ে উঠেছেন বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি বিধায়কের ছেলে, মেয়ে ও জামাইয়ের চাকরি এবং তাঁর স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ জমির মালিকানা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ধ্রুবজ্যোতি।
এই সমস্ত অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ধ্রুবজ্যোতি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অন্যদিকে এই অভিযোগের জবাব দিতে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই। অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করে তিনি জানান, তাঁর মেয়ে কোথাও চাকরি করেন না। তাঁর অভিযোগ, দলেরই কারও মদতে তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা থেকেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
কী জবাব দিলেন লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই?
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক বলেন, “আমার হিসাব বহির্ভূত কোনও সম্পত্তি নেই। আমার যা যা, সমস্ত ফাইল দেখানো আছে। আমার স্ত্রী, মেয়ে, জামাইয়ের নামে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু, মানুষ জানে প্রকৃত সত্য কী। আমার বলার কিছু নেই। আমার অগ্রগতি, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।”
দুর্গাপুর: বিধায়ক হওয়ার পরই বেড়েছে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে এমনই অভিযোগ প্রাক্তন বিজেপি নেতার। প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও সেই অভিযোগ জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে বিধানসভার স্পিকারকে। স্থানীয় সংবাদপত্রে এই খবর প্রকাশের পরে সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা জবাব দিলেন বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ খারিজ করলেন। বললেন, তাঁর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি বৃদ্ধি, পরিবারের সদস্যদের চাকরি এবং স্ত্রীর নামে জমির মালিকানা নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়। এই অভিযোগের উপর ভিত্তি করে স্থানীয় সংবাদপত্র খবর করে। সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা খবরের অভিযোগ দায়ের করেছেন বিধায়ক।
বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হওয়ার পর থেকেই লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একসময়ের লাখপতি থেকে তিনি এখন কোটিপতি হয়ে উঠেছেন বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি বিধায়কের ছেলে, মেয়ে ও জামাইয়ের চাকরি এবং তাঁর স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ জমির মালিকানা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ধ্রুবজ্যোতি।
এই সমস্ত অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ধ্রুবজ্যোতি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অন্যদিকে এই অভিযোগের জবাব দিতে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই। অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করে তিনি জানান, তাঁর মেয়ে কোথাও চাকরি করেন না। তাঁর অভিযোগ, দলেরই কারও মদতে তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা থেকেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
কী জবাব দিলেন লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই?
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক বলেন, “আমার হিসাব বহির্ভূত কোনও সম্পত্তি নেই। আমার যা যা, সমস্ত ফাইল দেখানো আছে। আমার স্ত্রী, মেয়ে, জামাইয়ের নামে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু, মানুষ জানে প্রকৃত সত্য কী। আমার বলার কিছু নেই। আমার অগ্রগতি, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।”