
চন্দ্রকোনা: গত মঙ্গলবার ফল প্রকাশিত হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। সেখানে বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগরকে পরাজিত করে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের মিতালি বাগ। আর শাসকদল জিততেই বিজেপি-তে ভাঙন। বিজেপি-র বুথ সভাপতি সহ একাধিক পদাধিকারী ও শতাধিক বিজেপি পরিবার যোগদান করল তৃণমূলে। যদিও, গেরুয়া শিবিরের দাবি চাপ দিয়ে যোগদান করানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নং ব্লকের ভগবন্তপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মেটেলা এলাকায়। ভগবন্তপুর ২ নং অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেটেলা এলাকায় একটি সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় মেটেলা বুথের শতাধিক বিজেপি পরিবার যোগদান করে তৃণমূলে।শাসকদলের দাবি, মেটেলা বুথের শতাধিক বিজেপি পরিবারের সঙ্গে বিজেপির বুথ সভাপতি, যুব মোর্চার সভাপতি, সম্পাদক, মণ্ডল কমিটির এক সদস্যও এদিন তৃণমূলে যোগদান করে। তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি ইসমাইল খান তাদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন।
এ বিষয়ে, বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক ও চন্দ্রকোনা বিধানসভার কনভেনার সুদীপ কুশারির অভিযোগ, “চাপ দিয়ে কয়েকটি বিজেপির পরিবারকে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। অসহায় হয়ে তৃণমূলে যেতে বাধ্য হয়েছে। শতাধিক পরিবার বলে যা দাবি করা হচ্ছে তা সঠিক নই।” ভগবন্তপুর ২ নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি ইসমাইল খান বলেন, “দেশজুড়ে এই রকম মুখ্য়মন্ত্রী আর কোথাও নেই। ওনার উন্নয়নে সামিল হতেই বিজেপি-র এই সকল নেতারা যোগ দিলেন তৃণমূলে। শুধু তাই নয়, ওরা নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। তাই নির্বাচন শেষ হতেই চলে এসেছেন তৃণমূলে।”