
দিঘা: রথযাত্রার আগে দিঘায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এবার একযোগে হানা নামজাদা ২০টি হোটেলে। নন্দীগ্রাম খাদ্য সুরক্ষা শাখার নেতৃত্বে এই অভিযানে সামিল ক্রেতা সুরক্ষা, লিগ্যাল মেট্রোলজি, জেলা এনফোর্সমেন্ট শাখা এবং স্থানীয় পুলিশ। রথযাত্রার আবহে দিঘায় পর্যটকদের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই অভিযান বলে জানা যাচ্ছে। সব হোটেল সমস্ত গাইডলাইন মেনে কাজ করছে কিনা, খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনও গাফিলতি থেকে যাচ্ছে কিনা এদিন সবটাই দেখেন আধিকারিকরা।
তবে একের পর এক হোটেলে অভিযান চালিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ ক্রমশ চওড়া হয়েছে খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের। সূত্রের খবর, একাধিক হোটেলের রান্না ঘরে দেখা গিয়েছে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এমনকী অনেকের ক্ষেত্রেই বৈধ লাইসেন্সেরও দেখা মেলেনি। কাজ চলছে অনভিজ্ঞ কর্মীদের নিয়ে। এই অবস্থায় কীভাবে কাজ চলছে তা ভেবেই হতবাক সরকারি আধিকারিকরা। নোটিস দেওয়া হয়েছে ১০টি হোটেলকে।
তবে হোটেল কর্তৃপক্ষগুলিকে কড়া বার্তা দিয়েছেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না। দ্রুত যাতে এই ছবির বদল হয় সেই কথাও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়ে আসেন। তাঁর সাফ কথা, পর্যটকদের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও আপস করা হবে না। সচেতনতার পরেও নিয়ম অমান্য করলে আগামীতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্বজিৎ মান্না বলছেন, রথযাত্রার সময় তো বাইরে থেকে অনেক তীর্থযাত্রী আসবেন, তাই খাবারের গুণমান যাতে ঠিক থাকে সেটাই আমরা দেখছি। কিন্তু দেখা গেল অনেক হোটেলের লাইসেন্স নেই, অনেকেই স্বাস্থ্য-সম্মতভাবে রান্না করছে না। অনেকগুলি হোটেলকে নোটিস দিয়েছি। এরমধ্যে যদি ওনারা নিজেদের বদলাতে না পারেন তাহলে আমাদের খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।