
পটাশপুর: পটাশপুরে প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় বিজন বাগ নামে ওই মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে ভর্তি করা হয় কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। রবিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
সামনেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচন। তা নিয়ে যখন একদিকে চড়ছে রাজনীতির পারদ, তখন পূর্ব মেদিনীপুরেই পটাশপুরে প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে সেই উত্তাপ আরও চড়চড়িয়ে বেড়েছে। নিহত বিজনবন্ধু বাগ মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। তিনি পটাশপুর ২ নম্বর ব্লকের সাউথখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান ছিলেন।
রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অখিল গিরির অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সন্ধেয় ছয় থেকে সাতজন লোক মোটরবাইককে বিজনবন্ধু বাগের বাড়িতে ঢোকেন। তুলে নিয়ে যান প্রাক্তন প্রধানকে। তারপর তাঁকে ব্যাপক মারধর করে, স্থানীয় একটি কাঠ মিলে আটকে রাখা হয়। পরে তাঁকে মারধর করে ফেলে রাখে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসায় আর সাড়া দেননি তিনি।
প্রাক্তন বিধায়কের দাবি, ‘কেউ কেউ দাবি করেছিল যে, ১০ লক্ষ টাকা পাই, তাই আমরা টাকার জন্য আমরা তাকে আটকে রেখেছিলাম। এই যে টাকা পয়সার কথা বলছে, এগুলো সব বানানো কথাবার্তা। পুরো রাজনৈতিক, এটা রাজনৈতিক ভাবে এটা করা হয়েছে।”
পটাশপুরের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, “যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক ঘটনা। অপরাধীর কোনও রং হয় না। আমাদের দলের লোকেরা হিংসা সঙ্গে জড়িত থাকে না। প্রশাসন খতিয়ে দেখুক। কেউ অপরাধী প্রমাণিত হলে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী ছাড়া পাবে না।”