
নন্দীগ্রাম: উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামের বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাকে ময়দানে নামাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তা নিয়ে জোর চর্চা ছিল রাজনৈতিক মহলে। একটা সময়ে এমন গুঞ্জনও শুরু হয়, খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাকি লড়তে পারেন উপনির্বাচনে। রবিবারই প্রার্থী ঘোষণা করে দিল কালীঘাট তৃণমূল। ঘোষিত হল নন্দীগ্রামের কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীর নামও। আর তাতেও চমক। কারণ কোনও তাবড় নেতানেত্রী নয়, হটসিটের লড়াইয়ে একেবারেই নতুন মুখে ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঞ্চিতা প্রধান দে তৃণমূল কংগ্রেসের নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপ নির্বাচনের প্রার্থী।
কিন্তু কে এই সঞ্চিতা প্রধান দে?
সূত্রের খবর, একেবারেই রাজ্য স্তর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে নন্দীগ্রামের প্রার্থীর নাম। সঞ্চিতার নাম ঘোষণার পর জেলা স্তরেও শুরু হয় গুঞ্জন। কে এই সঞ্চিতা, তা নিয়ে খোঁজখবর করা শুরু করেন জেলা নেতৃত্বও। প্রাথমিকভাবে তাঁকে নিয়ে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের মধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়। সঞ্চিতা প্রধান দে-র বাড়ি আসলে পবিত্র করের বুথেই। বয়স চল্লিশের কোঠায়। তিনি বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা ছিলেন। ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বাতিলের সময় তাঁর চাকরিটাও বাতিল হয়েছে। বর্তমানে তিনি তমলুকে থাকেন। নন্দীগ্রাম বয়াল-২ বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তিনি ২০১৮-২৩ সালের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ছিলেন।
ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-দুটি কেন্দ্রেই জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয় তাঁকে। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন শুভেন্দু। ফলে ওই কেন্দ্র নতুন করে নির্বাচন। অন্যদিকে, মু্র্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা- জোড়া কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত অর্থাৎ আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়ক শূন্য ওই দুই আসন। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে।