
মহিষাদল: প্রাকৃতিকভাবে নয়, রাসায়নিক দিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকানো হচ্ছে কলা। আর সেই কলাই (Banana) বিক্রি করা হচ্ছে বাজারে। এমনই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি ফলের গোডাউনে অভিযান চালায় মহিষাদল থানার পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। গোডাউনে মজুত থাকা কলার গুণমান এবং সেগুলি পাকানোর পদ্ধতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
বাজার থেকে ফল কিনে খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু সেই ফল কতটা নিরাপদ, তা নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিযোগ, মহিষাদলের ওই গোডাউনে রাসায়নিকের সাহায্যে কৃত্রিমভাবে কলা পাকানো হচ্ছিল। এরপর সেগুলি বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছিল। এই খবর সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গোডাউনে হানা দেন পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
অভিযানের সময় গোডাউনে মজুত থাকা কলা এবং সেগুলি পাকানোর পদ্ধতি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। পাশাপাশি, ফলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল, আদৌ নিষিদ্ধ কোনও পদার্থ দিয়ে কলা পাকানো হচ্ছিল কি না, তা পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে এলেই স্পষ্ট হবে।
উল্লেখ্য, ফল পাকানোর ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো রাসায়নিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ। এই ধরনের পদার্থের সংস্পর্শে থাকা ফল স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। তাই মহিষাদলের গোডাউনে ঠিক কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছিল, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।