Hasi Rani Rath: তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা থেকে শুভেন্দুর উত্তোরণের সহযোদ্ধা, চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের অতীত জানেন?

Hasi Rani Rath Political Background: গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, "দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। ...নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।"

Hasi Rani Rath: তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা থেকে শুভেন্দুর উত্তোরণের সহযোদ্ধা, চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের অতীত জানেন?
হাসিরানি রথImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Sep 15, 2026 | 4:58 PM

হলদিয়া: মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম (Nandigram) তাঁর গড়। পরপর দুইবার বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিপুত্রকেই জিতিয়েছেন নন্দীগ্রামবাসী। সেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে (Nandigram By-Poll) কাকে প্রার্থী করা হবে, নন্দীগ্রামবাসীর জন্য কার ওপর শেষপর্যন্ত ভরসা রাখে বিজেপি, সেদিকেই নজর ছিল সব পক্ষের। সব জল্পনা, আলোচনার অবসান ঘটিয়ে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর পিএ প্রয়াত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আজ মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মেগা ব়্যালি করে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। তবে, হাসিরানি রথ (Hasi Rani Rath) শুধুমাত্র চন্দ্রনাথের মা বা একজন গৃহবধূ নন। একটা সময় প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি। সামলেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদও।

রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগ 

শুভেন্দু অধিকারী যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে যুক্ত রথ পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৯৯৮ সাল থেকে রাজনীতি করছেন চণ্ডীপুর এলাকার কুলুপ গ্রামের বাসিন্দা হাসিরানি রথ। তৃণমূল আমলে পঞ্চায়েত সদস্যা ছিলেন। ঈশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা ছিলেন। পরে ২০০৮-২০১৩ সাল পর্যন্ত চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হন। চণ্ডীপুর এলাকায় পঞ্চায়েত স্তরে রীতিমতো দাপটের সঙ্গে কাজও করেছেন তিনি।

কী বলেছিলেন হাসিরানি?

এর আগে হাসিরানি রথ টিভি৯ বাংলাকে বলেছিলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পরিবারের অভিভাবক । উনি যদি আমাকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেন, তাহলে আমি মাথা পেতে নেব। আমি ১৯৯৮ সাল থেকেই রাজনীতি করি। দুইবার পঞায়েতের সদস্য। তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এবারে যদি আমাকে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, যথাসাধ্য চেষ্টা করব দায়িত্ব পালন করার।” অবশেষে তাঁর উপরই নন্দীগ্রামের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হল।

দায়িত্ব পাওয়ার পর কী বললেন?

গুরুদায়িত্ব পেয়ে হাসিরানি রথ বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু এখানের সংগঠন আমার সঙ্গে আছেন। আমি আশা করব, আমি সহযোগিতা চাইব সকলের। নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে থেকে নন্দীগ্রামকে নিয়ে আমি যেন এগোতে পারি। …নন্দীগ্রামের কোনও কাজই বাকি থাকবে না। আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করব যে নন্দীগ্রামকে কীভাবে খুশি করা যায়।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us