
রায়গঞ্জ: শিক্ষাক্ষেত্রে আরও এক দুর্নীতির অভিযোগ। এবার কাঠগড়ায় কলেজ সার্ভিস কমিশন। কমিশনের ওয়েবসাইটে নমুনা উত্তরপত্রেই উত্তর ভুল। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রায়গঞ্জের শিক্ষক পরীক্ষার্থীর। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কমিশনের ওয়েবসাইটে নমুনা উত্তরপত্রে বহু উত্তরই ভুল। সেট পরীক্ষায় বসার পর কমিশনের ওয়েবসাইট দেখে তিনি এই ভুল ধরতে পারেন বলে দাবি। কমিশনের নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে অভিযোগও জানান তিনি। কিন্তু কোনও উত্তর পাননি বলে অভিযোগ।
রায়গঞ্জের দেবিনগরের বাসিন্দা জয়ন্ত মজুমদার নামে ইটাহারের ছয়ঘরা হাইস্কুলের সহ শিক্ষক ওয়েস্ট বেঙ্গল কলেজ সার্ভিস কমিশনের ২৬ তম SET পরীক্ষায় অংশ নেন জয়ন্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, পরীক্ষা শেষে একপ্রকার কৌতুহল বশতই কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া নমুনা উত্তরপত্র মিলিয়ে দেখেন তিনি। আর তাতেই চক্ষু চড়কগাছ ওই শিক্ষক পরীক্ষার্থীর।
জয়ন্তর দাবি, কমিশনের দেওয়া উত্তরপত্রেই বহু উত্তরই ভুল রয়েছে দেখে তা কমিশনের নিয়মে চ্যালেঞ্জ করে কমিশনে টাকার বিনিময়ে গ্রিভেন্স ফাইল করেন। যাতে তার নম্বর বৃদ্ধির কথা। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের উত্তর প্রকাশ হলে সেক্ষেত্রে তার নম্বর বৃদ্ধি তো হয়নি, এমনকি তার গ্রিভেন্সের কোনও উত্তরও কমিশনের তরফে জানানো হয়নি।
কলেজ সার্ভিস কমিশনের অফিসিয়াল মেইল আইডিতে মেইল মারফৎ অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি কমিশনের চেয়ারম্যানকেও অভিযোগ জানালেও তারও কোনও উত্তর আসেনি বলেই তিনি জানান। আর এতেই বড় দুর্নীতি রয়েছে বলে তাঁর দাবি।
অভিযোগকারী পরীক্ষার্থী জয়ন্ত মজুমদার বলেন, “২৬ তম সেট পরীক্ষা হয়েছে, প্রকাশিত নমুনা উত্তরপত্রে ভুলে ভরা। যে উত্তর ওরা দিয়েছে, যে উত্তরগুলো হওয়ার কথা, সেগুলো অপশনেই নেই। আমার অনেকটাই স্কোর করার কথা। এখন এই উত্তর দেখে তো সেরকম মনে করছি না। আমার তো গ্রিভেন্স করার কথা। সেটাই করার কথা।”
তিনি বললেন, “তিনি নিজেও শিক্ষার দুর্নীতির শিকার। গত ডিসেম্বর মাসে স্কুলে জয়েন করেছি আপার প্রাইমারিতে, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট পেরিয়ে একটা চাকরি পেয়েছি। “