AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

'৩ মাস স্কুলে যেতে পারে না পড়ুয়ারা', আতঙ্কের কথা শোনালেন ঘাটালবাসী

‘৩ মাস স্কুলে যেতে পারে না পড়ুয়ারা’, আতঙ্কের কথা শোনালেন ঘাটালবাসী

Asim Bera

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Jul 21, 2026 | 7:02 AM

Share

বর্ষা আসতেই করুণ ছবি। খরস্রোতা নদী পারাপারের জন্য একমাত্র ভরসা নৌকা। আর সেই নৌকাতেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে লক্ষ মানুষের পারাপার। ঝুঁকির কারণে স্কুল পড়ুয়াদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকেরা। কয়েক মাস স্কুলে যায় না পড়ুয়ারা। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তৎপর। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন, মিটিং করছেন, স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে কথা বলছেন। তারই মাঝে উঠে আসছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের ব্লকের মনসুকা গ্রাম পঞ্চায়েতে খেয়া ঘাটে ঝুঁকির পারাপারের ছবি। ঘাটাল ব্লকের ৭ কিলোমিটার ধরে প্রবাহিত হয়েছে ঝুমি নদী। এর মধ্যে মনসুকা, সুলতানপুর, ইড়পালা এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে ঝুমি নদী। নদীর উপরে মোট আটটি বাঁশের ও কাঠের পোল ছিল। এই সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত-সহ হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার লক্ষ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাম আমল থেকে তৃণমূল আমল—ছবির কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকারের আমলে হয়তো পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এবার হয়তো মনসুকার কংক্রিটের ব্রিজের সমস্যার সমাধান করা হবে। এই আশায় বুক বাঁধছেন এলাকার মানুষজন। সকলেই চাইছেন স্থায়ী সমাধান। কবে হবে কংক্রিটের ব্রিজের অ্যাপ্রোচ রোড? কবে চালু হবে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের ব্রিজ? এর সঠিক উত্তর নেই কারও কাছে। তবে ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাটের দাবি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

বর্ষা আসতেই করুণ ছবি। খরস্রোতা নদী পারাপারের জন্য একমাত্র ভরসা নৌকা। আর সেই নৌকাতেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে লক্ষ মানুষের পারাপার। ঝুঁকির কারণে স্কুল পড়ুয়াদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকেরা। কয়েক মাস স্কুলে যায় না পড়ুয়ারা। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তৎপর। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন, মিটিং করছেন, স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে কথা বলছেন। তারই মাঝে উঠে আসছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের ব্লকের মনসুকা গ্রাম পঞ্চায়েতে খেয়া ঘাটে ঝুঁকির পারাপারের ছবি।

ঘাটাল ব্লকের ৭ কিলোমিটার ধরে প্রবাহিত হয়েছে ঝুমি নদী। এর মধ্যে মনসুকা, সুলতানপুর, ইড়পালা এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে ঝুমি নদী। নদীর উপরে মোট আটটি বাঁশের ও কাঠের পোল ছিল। এই সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত-সহ হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার লক্ষ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাম আমল থেকে তৃণমূল আমল—ছবির কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকারের আমলে হয়তো পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এবার হয়তো মনসুকার কংক্রিটের ব্রিজের সমস্যার সমাধান করা হবে। এই আশায় বুক বাঁধছেন এলাকার মানুষজন।

সকলেই চাইছেন স্থায়ী সমাধান। কবে হবে কংক্রিটের ব্রিজের অ্যাপ্রোচ রোড? কবে চালু হবে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের ব্রিজ? এর সঠিক উত্তর নেই কারও কাছে। তবে ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাটের দাবি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

Follow Us