
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সন্দেশখালি। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত এই সন্দেশখালি নদী পরিবেষ্টিত। প্রশাসনিকভাবে এটি সন্দেশখালি-১ এবং সন্দেশখালি-২ ব্লকের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। ২০২৪-এ ইডি তল্লাশি চলাকালীন যেভাবে আধিকারিকদের বাধার মুখে পড়তে হয়, যেভাবে শেখ শাহজাহানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ ওঠে, তারপরই শিরোনামে উঠে আসে সন্দেশখালি।
সন্দেশখালি বিধানসভা কেন্দ্র একসময়ের বাম দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ১৯৭৭ সাল থেকে টানা ৩৪ বছর এখানে বামফ্রন্ট আধিপত্য বজায় রেখেছিল। কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস এবং অবনী প্রামাণিকের মতো নেতারা এই কেন্দ্র থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন।
২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও সিপিএম প্রার্থী নিরাপদ সর্দার জয়ী হন। এরপর ক্রমশ এই কেন্দ্র চলে যায় তৃণমূলের হাতে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সুকুমার মাহাতো জয়ী হন এই কেন্দ্র থেকে। বিজেপি প্রার্থী ভাস্কর সর্দারকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন তিনি। পরে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে জমি দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। চরম বিক্ষোভের ছবিও দেখেছে সন্দেশখালি।
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় এই কেন্দ্রটি অবস্থিত। বিধানসভা কেন্দ্রটি বায়মারী -১, কালীনগর, সারবারিয়া, আগহারাটি, বায়মারী -২, ন্যাজাট-১, সেহরা রাধানগর, হাটগাছা ও ন্যাজাট -২ গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে সন্দেশখালিতে।
তৃণমূল- ঝর্না সর্দারে
বিজেপি: সনৎ সরদার
বাম জোট: রবীন্দ্রনাথ মাহাত
কংগ্রেস: যুধিষ্ঠির ভূমিজ