Sonarpur: শনিতে সঞ্জুকে ‘সমাজসেবক’ বলেছিলেন অভিষেক, রবিতে বেরল অন্য পরিচয়

Land Grab Allegation against Sanju Karmakar: নিপা মণ্ডলের অভিযোগ, পুলিশের কাছে গেলে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়া হয় সমস্যা সমাধানের জন্য। টানা ২ বছর ওই দম্পতি আইনের দরজায় ঘুরলেও কোনও সুবিধা হয়নি। উল্টে তাঁদের নানা সময় বাড়িছাড়া করে দেওয়ার বা যে বাড়িতে রয়েছেন সেই বাড়ি দখল করে নেওয়ার হুমকির অভিযোগ ওঠে সঞ্জুর বিরুদ্ধে।

Sonarpur: শনিতে সঞ্জুকে সমাজসেবক বলেছিলেন অভিষেক, রবিতে বেরল অন্য পরিচয়
সঞ্জু কর্মকারকে নিয়ে কী বলছেন দম্পতি?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

May 31, 2026 | 5:09 PM

সোনারপুর: সঞ্জু কর্মকার। তৃণমূলের নিহত এই কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেই গতকাল (শনিবার) আক্রান্ত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনারপুরের কামরাবাদে এসে অভিষেক দাবি করেছিলেন, নিহত সঞ্জু কর্মকার সমাজসেবা করতেন। ‘সমাজসেবক’ সেই সঞ্জুর আরও একটি ‘সমাজসেবা’-র কীর্তি দেখা গেল তাঁর বাড়ির অদূরেই। প্রতিবেশী নিখিলচন্দ্র মণ্ডলের তিন কাঠা জমি ভুয়ো কাগজ বের করে প্রথমে নিজের নামে মালিকানা করে তারপর আরও একজনকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল।

১৯৮৯ সালে নিখিলচন্দ্র মণ্ডল এই তিন কাঠা জমি কিনেছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন জমিটি খালি অবস্থাতেই রয়েছে। পরে সেখানে তাঁদের বাড়ি করার কথা ছিল। ২০২৪ সালে নিখিলের মেয়ে নিপা মণ্ডল এবং জামাই প্রদীপ সাহা সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের অভিযোগ, ভুয়ো কাগজ বের করে জমিটি দখল করেছেন সঞ্জু। আদালত থেকে নিপা ও প্রদীপ সাহার পক্ষেই রায় দেওয়া হয়।

এরপর সঞ্জু কর্মকার, জয় সেনগুপ্ত-সহ এলাকার বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় যান ওই দম্পতি। থানায় অভিযোগপত্রে জানিয়েছিলেন, আদালত তাঁদের পক্ষে রায় দিলেও এই তৃণমূল কর্মীরা জোর করে জমি দখল করে রেখেছেন। এবং একটাই জমি বারবার করে বিভিন্ন জনকে বিক্রি করছেন।

নিপা মণ্ডলের অভিযোগ, পুলিশের কাছে গেলে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়া হয় সমস্যা সমাধানের জন্য। টানা ২ বছর ওই দম্পতি আইনের দরজায় ঘুরলেও কোনও সুবিধা হয়নি। উল্টে তাঁদের নানা সময় বাড়িছাড়া করে দেওয়ার বা যে বাড়িতে রয়েছেন সেই বাড়ি দখল করে নেওয়ার হুমকির অভিযোগ ওঠে সঞ্জুর বিরুদ্ধে।

কী বলছেন নিপা মণ্ডল?

এদিন টিভি৯ বাংলাকে নিপা মণ্ডল বলেন, তাঁর বাবা নিখিলচন্দ্র মণ্ডল বর্তমানে প্যারালাইসিস হয়ে শয্যাশায়ী। তিনি নিজে শ্বশুরবাড়ি মল্লিকপুরে থাকেন। বাবা-মা যাতে কোনওরকম সমস্যা না পড়েন, তার জন্য গত ছয় মাস চুপচাপ ছিলেন। কিন্তু সঞ্জুর মৃত্যু এবং তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারের পর এদিন তাঁরা ফের জমিতে আসেন।

এদিন দেখা গেল প্রদীপ সাহা এবং নিপা মণ্ডল দখল করে রাখা জমির গেটের তালা ভেঙে ঢোকেন। একটি বাঁশের কাঠামো তৈরি করা ছিল, সেগুলি ভাঙেন। পাড়ার লোকজনও ওই দম্পতির সঙ্গ দেন। তাঁদের বক্তব্য, নিজেদের জমির দখল পেতে এর পর যেন আর সমস্যায় না পড়তে হয়।

Follow Us