
বারুইপুর: তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ ও খুনে অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের এনকাউন্টারে। খবর পেয়েছেন তিনি। বুধবার সকালে এনকাউন্টারের খবর পেয়ে বারুইপুরের নির্যাতিতার বাবা জানিয়ে দিলেন, পুলিশের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপরও তাঁদের পুরো ভরসা রয়েছে বলে জানালেন।
কী বললেন নির্যাতিতার বাবা?
বারুইপুরে নৃশংস ঘটনার দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্যাতিতার বাবাকে ফোন করেছিলেন। গতকাল তাঁদের সঙ্গে বারুইপুর এসপি অফিসে সাক্ষাৎ-ও করেন মুখ্যমন্ত্রী। নৃশংস ওই ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। এদিন অন্যতম অভিযুক্তের এনকাউন্টারে মৃত্যু নিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে। সরকারের উপর ভরসা ও আস্থা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গতকাল যে কথা দিয়েছেন, সেই মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা খুব খুশি, অত্যন্ত খুশি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর পূর্ণ ভরসা আছে আমাদের।”
গতকাল রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অন্যতম ওই অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখনই সে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মৃত্যু হয় ওই অভিযুক্তর। এদিন সাংবাদিকদের কাছে একথা শুনে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “এনকাউন্টারের বিষয়ে আমি বিশেষ কিছু জানি না। একটু ব্যস্ত রয়েছি। তবে পুলিশের উপর পুরো ভরসা রয়েছে। ৪ জনের গ্রেফতারিতে আমি খুশি। আরও যারা রয়েছে, তারা গ্রেফতার হবে। দোষীদের শাস্তি হোক, এটা আমরা চেয়েছি।”
এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দাদা (মুখ্যমন্ত্রী) এই জিনিসটা মাথায় রেখেছেন। দাদা আমায় ভরসা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা দাদা বলে সম্বোধন করি। দাদার উপর খুব ভরসা রয়েছে। বাকি তিনজনেরও কঠোর শাস্তি চাই। দাদা বলেছেন, ‘তুমি শুধু আমার কাজ দেখে যাও।’ আমরা খুব খুশি।”
গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর টিভি৯ বাংলাকে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “দাদার কাছে যে আশা নিয়ে গিয়েছিলাম, দাদা বলেছেন, তোমাদের আশা পূরণ হয়ে যাবে। যে দোষী সে শাস্তি পাক, এটুকুই দাবি নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম। দাদা বললেন, ‘তুমি শুধু দেখতে থাকো, আমি কী করতে পারি।’ তাতেই আমরা খুশি হয়ে গিয়েছি। আমরা সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছি। দাদার উপর ভরসা রয়েছে। পুলিশ, প্রশাসনের উপর ভরসা রয়েছে।”