
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বারুইপুরে নির্যাতিতা ও গণপিটুনিতে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চার দিনের ব্যবধানে ফের বারুইপুরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূর্যপুরে একটি পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেছেন। গণধর্ষণ ও গণপিটুনি দুটি ঘটনায় অভিযুক্তদের চূড়ান্ত ও চরম শাস্তি দেওয়া হবে, সে বার্তাও দিয়েছেন। এলাকাবাসীদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এলাকাবাসীদের বলে এসেছেন, ভয় পাওয়ার আর কোনও প্রয়োজন নেই। তবে এক পক্ষের উদ্দেশে বলেও এলেন, ‘ডরনা জরুরি হ্যায়’।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধর্ষক-খুনিরা ভয়ে থাকুক, দুষ্কৃতীরা ভয় পাক।” এনকাউন্টার পর্বের পর বারুইপুর গিয়ে দুষ্কৃতী দমনে বড় বার্তা দিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বারুইপুরকাণ্ডের পিছনে মাদক-মদের ঠেকের ভূমিকা ছিল। আগামী ২ সপ্তাহ বারুইপুরে ডিজিকে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অভিযান চালিয়ে বারুইপুরে বেআইনি মদের ঠেক উপড়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “খুনিরা, রেললাইন যারা উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছে, ধর্ষকরা, তারা ভয়ে থাকুক। ভয়ে থাকাটা স্বাভাবিক। তাদের শিক্ষা দেওয়াটা স্বাভাবিক। আইনি পথে সব পদক্ষেপ হবে। একেবারের রুরাল এলাকা থেকে বেআইনি মদ-গাঁজার ঠেক উপড়ে ফেলার দরকার, যাতে ,সামাজিক দূষণ রোধ করা যায়।” এরপর বারুইপুরের এসপি অফিসে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
তবে মুখ্যমন্ত্রী এটাও স্পষ্ট করেছেন, যাতে এই তদন্তের মাঝে কোনও নিরীহ মানুষ পুলিশের ধরপাকড়ের শিকার না হন। সেটাও দেখার দায়িত্ব প্রশাসনকে দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “যদি কোনও নিরীহ লোক বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, সেটাকে সমর্থন করি। কারণ ক্ষোভ দেখানোর গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু কোনও নিরীহ লোক যাতে পুলিশি জেরার মুখ না পড়েন, সেটা পুলিশকর্তাকে নিশ্চিত করতে বলেছি। যদি নিরীহ কেউ ফেঁসে থাকেন, সেটা IG নিজে দেখে নেবেন।”