
ভাঙড়: ভাঙড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে নয়া মোড়। দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় গত ১৯ মার্চ ঘটে যাওয়া বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে মাঠে নেমেছে NIA। শুরুতেই সুরাজ মোল্লা নামে এক অ্যাম্বুলেন্স চালককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। সেই সূত্র ধরেই এদিন একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে এই স্করপিও গাড়িটি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে। তদন্তে নেমে মালিকের খোঁজ পেলেও তখনও অপেক্ষা করেছিল একের পর এক নাটকীয় মোড়।
এনআইএ সূত্রে খবর, তদন্তকারী দল এদিন প্রথমে দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় বিস্ফোরণস্থলে যায়। সেখান থেকে গাড়ির মালিক আবু আনসার গাইনের বাড়িতে গিয়ে ওই স্করপিও গাড়িটির খোঁজ করা হয়। মালিক জানান, গাড়িটি ভাড়ায় খাটতে বাইরে গিয়েছে। এরপর ওই মালিককে সঙ্গে নিয়েই ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের চন্দনেশ্বর ঝাউতলা এলাকায় পৌঁছন এনআইএ-র আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের উপস্থিতি টের পেয়েই গাড়িটি ফেলে রেখে চম্পট দেয় চালক শাহারুল ইসলাম মোল্লা। জোরকদমে তাঁর খোঁজ চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গাড়িটি উদ্ধার করে সিজ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গাড়ির মালিক আবু আনসার গাইন বলেন, “১৯ তারিখ রাতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল বলে শুনেছি। কিন্তু আমার গাড়ি তখন ভাড়ায় গিয়েছিল কি না, তা আমি জানি না। তদন্তের জন্য এনআইএ-কে আমি পূর্ণ সহযোগিতা করব।” পুরো ঘটনায় আরও কারা জড়িত, আপাতত সেই দিকেই নজর তদন্তকারীদের।