
বাসন্তী: ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই। ভেঙে ছত্রখান হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। পরিষদীয় দলের পাশাপাশি ভেঙে টুকরো হয়ে গিয়েছে সংসদীয় দলও। আর রক্তক্ষরণ জারি রয়েছে তৃণমূলের তৃণমূল স্তরেও। আগেই কংগ্রেস নেতারা ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের তাঁদের দলে আসার জন্য দরজা খুলে দিয়েছেন। এবার যেন তাতেই হাতের হাত আরও শক্ত হচ্ছে। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর সোনাখালিতে তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন। প্রায় দেড়শো তৃণমূল কর্মী-সমর্থক দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। সোনাখালিতে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।
দলত্যাগীদের দাবি, রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলের অস্তিত্বই আজ ঘোরতর সঙ্কটে। এই অবস্থায় এলাকায় থমকে যাওয়া উন্নয়নে গতি আনতেই তারা কংগ্রেসের হাত ধরেছেন। অন্যদিকে এই দলবদলকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, তৃণমূল ছেড়ে মানুষের এই যোগদান আগামী দিনে এলাকায় কংগ্রেসের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে। তাঁদের মতে, রাজ্যের যে রাজনৈতিক অবস্থা রয়েছে তাতে দিনে দিনে মানুষের কাছে কংগ্রেস আবার নতুন করে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।
কংগ্রেস নেতা মণিরুল ইসলাম সর্দার বলছেন, “আগামীতে এদের হাত ধরে অনেকেই কংগ্রেসে আসবে। ইতিমধ্যেই অনেকে আসতেও চাইছে। আজকের যোগদানের মাধ্যমে আমাদের এলাকায়, আমাদের ব্লকে কংগ্রেসের শক্তি যে আরও অনেক বেড়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আরও যোগদান হবে। রাহুল গান্ধীর হাত আরও শক্ত হবে, অধীর চৌধুরীর হাত শক্ত হবে, শুভঙ্কর সরকারের হাত শক্ত হবে।”