Saokat Molla: বিঘার পর বিঘা চর বুজিয়ে রমরম করে চলছে শওকতের ছেলের ক্যাফে
Canning illegal construction: মৌখালী ব্রিজের কাছেই ক্যাফে। ওই ব্রিজের ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে এসডিও ও এসডিপিও অফিস। এত কাছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতর থাকা সত্ত্বেও কীভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন এই বেআইনি নির্মাণ ও নদী ভরাটের কাজ চলল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সব দেখেও কি চোখ বন্ধ করেছিল প্রশাসন? প্রশ্ন তুলছে বিজেপি নেতৃত্ব।

দেবব্রত মণ্ডলের রিপোর্ট
ক্যানিং: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই কার্যত উধাও তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। কোথাও তাঁকে দেখা যাচ্ছে না। ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই তিনি জানিয়েছিলেন, স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যাচ্ছেন। তারপরেও দুই সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের দেখা নেই। এরই মধ্যে শওকত ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে নদীর চর চুরির অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ওই চর বুজিয়েই বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল ক্যাফে। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে ক্যানিংয়ে।
নদীর চর বুজিয়ে বিশাল ক্যাফে
অরণ্যের কুলে। মৌখালী ব্রিজের কাছে মাতলা নদীর তীরে বিশাল ক্যাফে। ম্যানগ্রোভ অরণ্যের দুই দিকে তাকালেই দেখা যাবে বিশাল এলাকা জুড়ে এই ক্যাফে তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, বেআইনিভাবে ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ। বিশাল এই ক্যাফে তৈরি হয়েছে বিঘার পর বিঘা নদীর চর ভরাট করে। এমনই অভিযোগ উঠছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি,ক্যাফে নির্মাণই নয়, শওকত মোল্লার অনুগামীরা মৌখালী ব্রিজের আশপাশে কয়েকশো বিঘা নদীর চর মাটি ফেলে ভরাট করেছে। পরবর্তীতে সেই সরকারি জমি কোটি কোটি টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, এই ক্যাফের মালিক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লা। স্থানীয়দের অভিযোগ,বাবা শওকত মোল্লার রাজনৈতিক দাপট এবং ক্ষমতাকে ঢাল করে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই ক্যাফেটি চালাচ্ছেন। এর আগে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে ডেলিভারি বয়কে হকি স্টিক দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছিল।
জানা গিয়েছে, মৌখালী ব্রিজের ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে এসডিও ও এসডিপিও অফিস। এত কাছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতর থাকা সত্ত্বেও কীভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন এই বেআইনি নির্মাণ ও নদী ভরাটের কাজ চলল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সব দেখেও কি চোখ বন্ধ করেছিল প্রশাসন? প্রশ্ন তুলছে বিজেপি নেতৃত্ব।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কেউ রেস্তরাঁ, কেউ বড় বড় লজ করে বসে আছে। আর এটা হয়েছিল প্রশাসনের নাকের ডগায়। প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে, আরাবুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান তিনি। সরকারি জমি যাতে হস্তান্তর না হয় সেই বিষয়ে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
