
বসিরহাট: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি। বাসন্তী থানার চুনাখালি এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে NIA। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে শওকতের ছেলেকে। গ্রাম ঘিরে ফেলা হয়েছে। শওকত নদী পেরিয়ে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পালানোর ছক করেছিলেন বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেই ছকই বানচাল করেন এলাকাবাসীরা।
জানা যাচ্ছে, শওকত মোল্লা বৃহস্পতিবার বারুইপুরে একটি বাড়িতে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, এদিন তিনি লাল জামা পরে ছিলেন। একটি বাইকে তিনি ছিলেন, অপর বাইকে তাঁর সঙ্গীরা। বিকাল সাড়ে তিনটের সময়ে বাসন্তীর দিকে এগিয়েছিলেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। খেয়াঘাটে চার জনকে দেখতে পান । তাঁদের মধ্যেই একজন শওকত মোল্লা ছিলেন বলে তাঁদের দাবি। বাসন্তীর এই খেয়াঘাট পেরলেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দাদবেড়িয়া খেয়া ঘাট। সেখান থেকে বাংলাদেশ বর্ডার একদম কাছে। রাতে সীমান্ত পেরিয়েই বাংলাদেশে শওকত পালানোর ছক কষেছিল বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেটা বানচাল করা হয়েছে।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, NIA টিম জাকাড়িয়া সুন্দরবন মাদ্রাসা এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। গ্রাম ঘুরে প্রত্যেকটা বাড়ি দেখা হচ্ছে। যাতে শওকত সীমান্ত পেরিয়ে না পালাতে পারে, গোটা গ্রাম ঘিরে ফেলা হয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “শওকত মোল্লা পালানোর জন্য চুলাখালি এলাকায় ঢুকেছে। NIA কাছে খবর রয়েছে। যারা শওকত মোল্লাকে পালাতে সাহায্য করছে, তাদেরকেও খোঁজা হচ্ছে। ওদের সবাইকে NIA মাটির গর্ত থেকে খুঁজে বার করবে।”
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “NIA এর কাছে খবর ছিল শওকত এখান থেকে পালিয়ে গিয়ে নদীর ওপারে করাকাঠি এলাকায় ওর আত্মীয়র বাড়িতে রাতটুকু থেকে বাংলাদেশ পালাবে। আমরা ব্যারিকেড করি। দেখি দুটো বাইক, ওদের মাথায় হেলমেট ছিল, দুটো বড় কালো ব্যাগ নিয়ে ঢুকছে। আমাদের দেখেও বাইক ঘুরিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। মাদ্রাসার কাছাকাছি এলাকাতেই রয়েছে।”