Bangladeshi Infiltrator: বাংলায় সংসার পেতেছেন ‘অনুপ্রবেশকারী’! নিজের বাবাকেই ‘বাবা’ সাজালেন খোজ TMC নেতা, চাঞ্চল্য হিঙ্গলগঞ্জে

Hingalgunj TMC Leader: বারবার স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ সেই সময় কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। শনিবার গভীর রাতে ওই অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকার বাসিন্দারা। সাংবাদিকদের সামনে ওই অনুপ্রবেশকারী স্বীকার করে নেন যে অবৈধভাবে এসেছেন, সেটা স্বীকার করে নেন।

Bangladeshi Infiltrator: বাংলায় সংসার পেতেছেন অনুপ্রবেশকারী! নিজের বাবাকেই বাবা সাজালেন খোজ TMC নেতা, চাঞ্চল্য হিঙ্গলগঞ্জে
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

May 16, 2026 | 3:18 PM

হিঙ্গলগঞ্জ: খোদ তৃণমূল নেতার বাড়িতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi Infiltrators)! পশ্চিমবঙ্গে এসে, ভুয়ো নথি বানিয়ে নাকি সংসারও পেতেছিলেন ওই বাংলাদেশি। এলাকার বাসিন্দারাই তুলে দিল পুলিশের হাতে।

হিঙ্গলগঞ্জের স্যান্ডেলের বিলগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান তথা বর্তমান তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য জয়নাল আবেদিন গত কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এক অনুপ্রবেশকারীকে ভারতে প্রবেশ করান বলে অভিযোগ। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানা এলাকার বাসিন্দা শহিদুল গাজীকে তিনি অবৈধভাবে স্যান্ডেলের বিল এলাকায় নিয়ে আসেন বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সেখানে নিয়ে যাওয়া-আসার পর ওই তৃণমূল নেতা জয়নাল আবেদিন নিজের বাবাকে ওই অনুপ্রবেশকারীর বাবা সাজিয়ে অবৈধভাবে ভোটার কার্ড সহ যাবতীয় নথি তৈরি করে দেন বলেও অভিযোগ। তারপর সেই অনুপ্রবেশকারীকে ওই তৃণমূল নেতা তাঁর নিজের মেছো ভেড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন! এলাকার লোকজন জানান, তারপর ওই এলাকার মেয়েকে বিয়ে করে সংসারও পাতেন সেই ‘অনুপ্রবেশকারী’ বাংলাদেশি।

বিষয়টি নজরে আসতেই বারবার স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ সেই সময় কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। শনিবার গভীর রাতে ওই অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকার বাসিন্দারা। সাংবাদিকদের সামনে ওই অনুপ্রবেশকারী স্বীকার করে নেন যে অবৈধভাবে এসেছেন, সেটা স্বীকার করে নেন।

যাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করানোর অভিযোগ, সেই জয়নাল আবেদিন বাড়িতে নেই। তাঁর সঙ্গে এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তাঁদের প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।

হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি নেতা তথা আনন্দ সরকার বলেন, “শুনে বুঝে উত্তর দিতে হবে। খবর নিয়ে পরে জানাচ্ছি।” কিন্তু দীর্ঘক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরও তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Follow Us