
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সূর্যপুরের নিহত নাবালিকা স্কুল ছাত্রীর বাবাকে সরকারি চাকরি দিয়েছে রাজ্য সরকার।কারা দফতরে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারি আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে ওই পরিবারকে। বারুইপুরের সূর্যপুরে ১১ বছরের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য তোলপাড়। সেই পরিবারের পাশে বার্তা দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন বারুইপুর পুলিশ সুপারের দফতরে। সেখানে নিহত ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং প্রশাসনিক নির্দেশও দেন পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের।
ইতিমধ্যেই সেই ঘটনায় চারজন অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ করার সময় এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে এক অভিযুক্ত। মৃত ওই ছাত্রীর পরিবারের আবেদন মেনে ইতিমধ্যেই সূর্যপুরে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেছেন শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই এলাকাকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মৃত ওই ছাত্রীর স্কুলে একটি তার স্মরণে লাইব্রেরি নির্মাণ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে সমস্ত ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে মৃতের ওই পরিবারকে এমনটাই দাবি করেছেন মৃতের বাবা। পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “পরিবারকে বলে এসেছি কাস্টডি ট্রায়াল এবং কনভিকশন এক্সিকিউশন মুখ্যমন্ত্রীর মনিটরিংয়ে হবে। একটা দৃষ্টান্তমূলও নজির এই কেসে রাখা হবে।সরকারের পক্ষ দিয়ে কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সেটা নিয়ে আমি বলব না।কিছু অ্যাসিস্ট্যান্টের বিষয়ে থাকে, যদি ফ্যামিলি রাজি থাকে। ফ্যামিলি রাজি ছিল। সরকার পাশে দাঁড়িয়েছে।” সঙ্গে তিনি এও বলেছেন, “কীভাবে পাশে সরকার দাঁড়িয়েছে ফ্যামিলি যখন দরকার হবে তখন বলবে। আমি কিন্তু কিছু বলব না।” এরপরই মৃত ওই ছাত্রীর বাবা বিষয়টি জানান। সঙ্গে এও জানিয়েছেন, মানসিক অবস্থা ভাল নেই, তিনি কিছুটা থিতু হলে কারা দফতরের কাজে যোগ দেবেন।