ফের নিম্নচাপ! পুজোর আনন্দ কি তাহলে মাটি?
পুজোর ঠিক মুখে আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালিপনায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই উইকএন্ডে পুজোর বাজার করার জন্য মুখিয়ে থাকেন সকলে। কিন্তু সপ্তাহান্তে বৃষ্টির এমন পূর্বাভাসে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পরিকল্পনায় জল পড়তে পারে। ছাতা বা রেইনকোট গায়ে চাপিয়ে ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করাটাও বেশ ঝক্কির ব্যাপার। তাই রাস্তায় বেরনোর আগে এখন হাওয়া অফিসের আপডেটে চোখ রাখা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
দুর্গাপুজো দোরগোড়ায়, কিন্তু উৎসবের আকাশে কালো মেঘের ভ্রুকুটি কিছুতেই কাটছে না। মঙ্গলবার হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্ষা এখনই বিদায় নিচ্ছে না। বরং জোড়া ঘূর্ণাবর্ত এবং তিনটি শক্তিশালী অক্ষরেখার জোরালো প্রভাবে চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পুজোর ঠিক মুখে আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালিপনায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই উইকএন্ডে পুজোর বাজার করার জন্য মুখিয়ে থাকেন সকলে। কিন্তু সপ্তাহান্তে বৃষ্টির এমন পূর্বাভাসে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পরিকল্পনায় জল পড়তে পারে। ছাতা বা রেইনকোট গায়ে চাপিয়ে ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করাটাও বেশ ঝক্কির ব্যাপার। তাই রাস্তায় বেরনোর আগে এখন হাওয়া অফিসের আপডেটে চোখ রাখা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির সঙ্গে বেশ কিছু জেলায় দমকা বাতাস বইতে পারে। সেই সঙ্গে রয়েছে ঘনঘন তীব্র বজ্রপাতের যথেষ্ট আশঙ্কা। তাই আকাশ কালো করে এলে অযথা বাইরে না থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
তবে স্বস্তির বিষয় হল, আপাতত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা নেই। মহালয়ার পর থেকে সাময়িক শুকনো আবহাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু চিন্তার মেঘ এখনই কাটছে না। কারণ, অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ পুজোর দিনগুলিতে ফের একটি নতুন নিম্নচাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত মিলেছে। তবে সেই সম্ভাব্য নিম্নচাপের গন্তব্য বা অভিমুখ এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। সেটি বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়বে নাকি অন্য কোথাও ঘুরে যাবে, তার ওপরই নির্ভর করছে পুজোর আবহাওয়ার ভবিষ্যৎ।