
নয়া দিল্লি : মধ্যবিত্তদের জন্য দুঃসংবাদ। দাম বাড়তে চলেছে মুদিখানা পণ্যের। সেই তালিকায় রয়েছে সাবান থেকে শুরু করে বিস্কুট, আরও অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। যেমন দেশের এফএমসিজি (FMCG) কোম্পানি ডাবর ইন্ডিয়া ২০২৭ অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিকে তাদের বিভিন্ন প্রোডাক্টের দাম বাড়াতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা। এর আগেও একবার সংস্থা তার প্রোডাক্টের দাম বাড়িয়েছে। শুধু ডাবর (Dabur) নয়, আরও অনেক সংস্থাই এই পথে হাঁটতে চলেছে বলে খবর।
ডাবরের গ্লোবাল চিফ এক্সিকিউটিভ মোহিত মালহোত্রা বলেছেন, চলমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে, বিশেষ করে প্যাকেজিং উপকরণের দাম বৃদ্ধির ফলে পরের ত্রৈমাসিকে আরও এক দফা মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে প্যাকেজিং উপকরণের দাম বাড়ছে। এদিকে, ডাবর চলতি ত্রৈমাসিকে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে। ডাবর একা নয়। দেশের বৃহত্তম এফএমসিজি সংস্থা এইচইউএল এবং অন্যান্য সংস্থাগুলিও যন্ত্রাংশ ও প্যাকেজিং খরচের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে মুদ্রাস্ফীতির সম্মুখীন হচ্ছে।
এফএমসিজি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার (এইচইউএল)। কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, এইচইউএল-এর তালিকায় সাবান, সার্ফ, চা, কফি, প্যাকেটজাত খাবার রয়েছে। এই পণ্যগুলির দাম বাড়তে পারে। এছাড়া নেসলে, ব্রিটানিয়া-র মতো সংস্থার পণ্যের দাম বাড়বে। তার মধ্যে গম, দুগ্ধজাত পণ্যও থাকবে।
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। আবারও নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে। এই অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ভারতেও বড় প্রভাব পড়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে। হরমুজ় প্রণালী বন্ধ ও অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচও বেড়ে গিয়েছে। বিভিন্ন কাঁচামালের দাম বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি পায়। এই চাপ অব্যাহত থাকলে, কোম্পানিগুলো শেষ পর্যন্ত দাম বাড়ানো, পণ্যের ওজন কমানোর মতো পদক্ষেপ করে।