
ওয়াশিংটন: সীমানা নিয়ে জটিলতার জেরে বরাবরই মেক্সিকো-বিরোধী ট্রাম্প। বাণিজ্য, শুল্কের মতো রাষ্ট্রনীতি নিয়ে কানাডার সঙ্গে অম্লমধুর সম্পর্ক। কিন্তু এবার সম্পর্কের গড়মিলে চিনের নামটাও সরাসরি জড়িয়ে যাবে তা আন্দাজ করতে পারেনি কেউই। সম্ভবনা ছিল রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ভারত হয়ে একবার চিনে যাবেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কিন্তু সেই সম্ভবনার বাস্তবায়নের আগেই ট্রাম্পের নিশানায় চিন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন জিতলে কানাডা এবং মেক্সিকোর পণ্যে ২৫ শতাংংশ শুল্ক আরোপ করবেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হতে এটা বাস্তবায়নও হয়েছে, আর কার্যকর হয়েছে। কিন্তু শুধু এই দুই দেশ নয়। এদের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে আরও একটি নাম। সেটি হল চিন।
শুক্রবার রাতে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন চিনা পণ্যের উপর এবার থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক চাপাবে সরকার। গত নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জয় লাভের পর শিয়ের সরকারের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জারি করেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, ‘চিনে তৈরি অবৈধ ওষুধ বেপথে মেক্সিকো সীমানা হয়ে আমেরিকায় ঢুকছে। আর এটা জানা সত্ত্বেও তারা কোনও রকম পদক্ষেপ নেয় না। তাই যতদিন না এই সমস্যার কোনও সুরাহা আনছে চিন, তত দিন পর্যন্ত তাদের পণ্যে শুল্ক চাপানো থাকবে।’
এবার বাস্তবের রূপ পেল সেই হুমকি-হুঁশিয়ারি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান ছিল, চিনা পণ্যে কমপক্ষে ৩৫ শতাংশ শুল্ক বসাবে ট্রাম্প সরকার। কিন্তু এমনটা হয়নি। বরং, ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে তাঁরা। চিনের পাশাপাশি কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। চলতি মাস থেকে কার্যকর হল সেই নিয়মও।