
ওয়াশিংটন : আমরিকা ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তবে, লেবাননে হামলা জারি রেখেছে ইজরায়েল। আগেই ইজরায়েলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সংঘর্ষবিরতির চুক্তির মধ্যে লেবানন নেই। তবে, এবার ইজ়রায়েল-লেবাননের মধ্যে শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী আমেরিকা। আগামিকালই বৈঠকে বসতে পারেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ঐতিহাসিক বৈঠক হতে চলেছে।
কী বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?
ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজ়রায়েল ও লেবাননের মধ্যে দীর্ঘদিন পর এই বৈঠক হতে চলেছে। প্রায় ৩৪ বছর পর। তিনি লেখেন, “ইজ়রায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে অনেক দিন প্রায় ৩৪ বছর কোনও কথা হয়নি। আগামিকাল তা হতে চলেছে।” দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বৈঠক ইতিবাচক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।
ইজ়রায়েল-লেবানন সংঘর্ষ
যদিও ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে বলেননি দুই তরফে কোন নেতারা কথা বলবেন। তবে মনে করা হচ্ছে তিনি ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে কোনও ইজ়রায়েল ও লেবাননের মধ্যে কোনও বৈঠক হয়নি। ১৯৪৮ সাল থেকে কার্যত দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চলছে। ১৯৮৩ সালে লেবানন যুদ্ধের পর মার্কিন মধ্যস্থতায় একবার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়েছিল, তবে তা স্থায়ী হয়নি।
এদিকে, ইজ়রায়েলের সঙ্গে আলোচনায় না বসার জন্য লেবাননের উপর চাপ তৈরি করছে হিজ়বুল্লা। তারা মনে করছে হিজ়বুল্লা গোষ্ঠীকে অস্ত্রসমর্পণের চাপ দেওয়ার জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে হামাস গোষ্ঠীর উপর হামলা চালায় ইজ়রায়েল। তারপর থেকে হিজ়বুল্লার সঙ্গেও সংঘর্ষ শুরু হয় ইজ়রায়েলের। ইরান-ইজ়রায়েল-আমেরিকার মধ্যে সংঘাতের মধ্যে হিজ়বুল্লার সঙ্গে ইজ়রায়েলের সংঘর্ষ আরও বেড়েছে। লেবাননেও তার প্রভাব পড়েছে।