
নয়া দিল্লি: এক বছরের মধ্যেই সুর নরম। ভারত বিরোধী প্রচার চালিয়ে নির্বাচনে জেতা মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (Mohamed Muizzu)-ই এবার এ দেশে আসতে আগ্রহী। বন্ধুত্বের হাত আগেই বাড়িয়েছিল ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)-র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাকি পড়শি দেশগুলির মতো মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মুইজ্জু।
আগামিকাল, রবিবার তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করবেন নরেন্দ্র মোদী। এই অনুষ্ঠানে দেশের রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি একাধিক রাষ্ট্রপ্রধানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আসতে পারেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনা এবং শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে। জানা গিয়েছে, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মুইজ্জু।
বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, অতিথিদের তালিকায় শেখ হাসিনা, রনিল বিক্রমসিঙ্ঘের পাশাপাশি মহম্মদ মুইজ্জুর নামও রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে মহম্মদ মুইজ্জু যখন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হন, সেই সময় থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। চিন-পন্থী মুইজ্জু শপথ গ্রহণের দিনই বলেন যে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করতে হবে মলদ্বীপ থেকে।
এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদীর লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণ নিয়েও মলদ্বীপের সঙ্গে বিরোধ বাধে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ভারতীয়দের অপমান করায় দেশজুড়ে ওঠে ‘বয়কট মলদ্বীপ’-র ডাক। এর জেরে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় মলদ্বীপের পর্যটন শিল্প।
গত ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতেই মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু প্রধানমন্ত্রী নর্ন্দ্র মোদী ও এনডিএ-কে অভিনন্দন জানান। তিনি পোস্টে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী, বিজেপি ও এনডিএ-কে লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন। দুই দেশের স্থিতাবস্থা ও উন্নতির লক্ষ্য়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আশাবাদী।”