
ওয়াশিংটন : চাঁদের পথে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে নাসার মহাকাশযানের। প্রায় ৫০ বছর পর চাঁদে চার নভ্যোশ্চারকে নিয়ে যাত্রা করেছে মহাকাশযানটি। তবে, চাঁদে পা দিচ্ছেন না এই চার মহাকাশাচারী। নাসার মিশনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস ২’। মোট ১০ দিনের মিশন। তবে, জানেন এই মিশনের পিছনে কত খরচ হয়েছে? অঙ্কটা কয়েক লাখ কোটির বেশি বলে জানা গিয়েছে।
ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের হিসেবে এই বিশেষ মিশনের মোট খরচ প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৭ লাখ ৭১ হাজার ৯০ কোটি। আর্টেমিস মিশনগুলোয় অর্থ দেয় মার্কিন সরকার। অর্থাৎ এই তহবিলের একমাত্র উৎস হল আমেরিকান করদাতারা। বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলোও এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কেন চাঁদে পা রাখছেন না চার নভ্যোশ্চর?
‘আর্টেমিস ২’ অভিযানের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসা। ২০২৮ সালের মধ্যেই মানুষকে আবার চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তার আগে এই ওরিয়ান মহাকাশযানটি চাঁদের চারপাশে ঘুরে পৃথিবীতে ফিরবে। চাঁদে এই মহাকাশ যানটির ‘লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম’ পরীক্ষা করে দেখবেন মহাকাশচারীরা। চাঁদে মহাকাশযান অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হবে বলে খবর।
চাঁদে যে চার নভ্যশ্চর পাড়ি দিয়েছেন, তাঁরা হলেন,কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান, পাইলট ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং জেরেমি হানসেন। তাঁরা প্রত্যেকেই অভিযানের সময় কিছু না কিছু সঙ্গে নিয়েছেন। ভিক্টর গ্লোভার সঙ্গে নিয়েছেন বাইবেল। জেরেমি হ্যানসেনের সঙ্গে পরিবারের পেনডেন্ট, রিড উউজম্যানের সঙ্গে নোটপ্যাড ও পেন্সিল এবং ক্রিস্টিনা কচের সঙ্গে প্রিয়জনদের হাতে লেখা বার্তা রয়েছে। উল্লেখ্য,বুধবার সন্ধে ৬ টা ২৪ মিনিট থেকে ৮টা২৪ মিনিটের মধ্যে কেনেডি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে রওনা দেয় ওরিয়ন মহাকাশ যানটি। শেষবার ১৯৭২ সালে পা রেখেছিলেন মার্কিন মহাকাশচারী।