
ওয়াশিংটন: “আমি আপনার নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করছি….”, হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে আয়োজিত হয়েছে প্রার্থনা সভা। একদিকে যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান। মার্কিন হামলায় ক্রমাগত চড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিধ্বস্ত জনজীবন। ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ভেঙে পড়েছে ইরানের আস্ত স্কুল। মৃত্য়ু হয়েছে শয়ে শয়ে খুদে প্রাণের। আর সেই সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে চলছে প্রার্থনা সভা। ধর্মীয় গুরুরা প্রার্থনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য। তাঁরা প্রার্থনা করছেন আমেরিকার জন্য। কিন্তু আচমকা কী এমন হল?
যুদ্ধে জিততে ঈশ্বরের স্মরণাপন্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সরাসরি নন, হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসেই ডেকে নিয়েছেন ধর্মীয় গুরুদের। ট্রাম্পের হয়ে প্রার্থনা করছেন তাঁরা। সেই ভিডিয়ো নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন প্রেসিডেন্টের সহকারী ড্যান স্ক্যাভিনো। লিখেছেন, “ওভাল অফিসে আয়োজন হয়েছে। ঈশ্বর আমেরিকার সহায় হোক।”
Happening Now in the Oval Office at the @WhiteHouse.
God Bless the USA!
🙏❤️🇺🇸🦅 pic.twitter.com/Ebi7DnAnhK
— Dan Scavino (@Scavino47) March 5, 2026
গত শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাতে নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বি১২ বোম্বার বিমান দিয়ে ইরানে প্রবেশ করে তাঁরা। তারপরেই হামলা চালায় ইরানের একাধিক এলাকায়। হামলা চালানো হয় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেইয়ের অফিসেও। এই সংঘাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হয় ইজরায়েলও। শনির সেই যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। প্রাণ হারায় ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও ইসলামিক রিভলিউশোনারি গার্ডসের প্রধানের। তারপরেই আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
সংঘাত সপ্তাহে পা দিতেই ইরানকে ‘নিঃশর্তে আত্মসমর্পণ’ করার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরেই প্রশ্ন উঠেছে তবে কি ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতে ইতি পড়বে না? অবশ্য সমঝোতার পথ খোলা রাখতে রাজি নয় ইরানও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযানের সাক্ষী থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ‘বিপ্লবী বাহিনী’। খামেনেইয়ের হত্য়াকারীদের ‘শেষ দেখে ছাড়ার’ হুঙ্কার তুলেছে তারা।