
নয়া দিল্লি: কাতারে ইজরায়েলি হানা নিয়ে মুখ খুলল ভারত। দোহায় এয়ারস্ট্রাইকের নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিকে ফোন করেন এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা করেন। আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।
কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের নিকেশ করতেই বুধবার হামলা চালায় ইজরায়েল। বেশ কয়েকটি জায়গায় এয়ারস্ট্রাইক চালানো হয়। ঠিক কোথায় কোথায় হামলা চালানো হয়েছে, ইজরায়েল তা স্পষ্ট না করলেও, ভারত সরকার উদ্বিগ্ন ছিল এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছিল। বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানান যে কাতারের আমিরের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে।
হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। এই হামলাকে কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বলেই উল্লেখ করেছেন। কাতারকে ভ্রাতৃসম বলে উল্লেখ করে জানিয়েছেন, ভারত সমস্ত রকমের সন্ত্রাসের বিরোধী। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইজরায়েলের সঙ্গে হামাসের সংঘাত শুরু হয়েছে হামাসের হামলার পর। এরপর ইজরায়েল গাজা স্ট্রিপ সহ কার্যত প্রায় গোটা প্যালেস্তাইনই ধ্বংস করতে উদ্যোগী হয়। প্যালেস্তাইনের পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনেও হামলা চালায়। ধ্বংস করে হিজবুল্লা ও হুথিদের ঘাঁটি। তবে কাতারে হামলা এই প্রথম। এতদিন কাতার ইজরায়েলের বন্ধু দেশ হিসাবেই পরিচিত ছিল। হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবেও কাজ করেছিল। সেই দেশেই আঘাত হানল ইজরায়েল।
ইজরায়েলের হামলার পর তাদের পাশে দাঁড়ায়নি বন্ধু দেশ আমেরিকাও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাফ জানিয়েছেন, এই হামলার সিদ্ধান্ত ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তারা এই হামলার বিষয়ে জানতেন না।