Strait of Hormuz Reopening: মূল্যবৃদ্ধির জ্বালা সইতে হবে না আর, খুলছে হরমুজ, কবে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে?
Iran-US Peace Deal: যুদ্ধ থামাতে একদিকে যেখানে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে রাজি হয়েছে, সেখানেই আমেরিকাও নাকি বিদেশে বাজেয়াপ্ত ইরানের সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে। চুক্তির প্রথম দফায় এই আলোচনাই হয়েছে বলে খবর।

তেহরান: অবশেষে মিলল সুখবর। আর মূল্যবৃদ্ধির জ্বালা সইতে হবে না। আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধ (US-Iran War) থামাতে প্রায় সম্মতির স্তরে পৌঁছে গেল। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলেই আবার খুলে যাবে হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) দরজা। ফের স্বাভাবিক হবে জাহাজ চলাচল। ফলে তেল ও জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তবে কতদিন সময় লাগবে এর জন্য?
ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। ঘুরপথে আসার চেষ্টা করলেও, সেই পথে বারবার বাধা পড়েছে। তবে এবার সেই জট কাটতে চলেছে। ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধের আগের পরিস্থিতির মতোই করা হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই হরমুজের পথ খুলে দেওয়া হবে।
সূত্রের খবর, যুদ্ধ থামাতে একদিকে যেখানে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে রাজি হয়েছে, সেখানেই আমেরিকাও নাকি বিদেশে বাজেয়াপ্ত ইরানের সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে। চুক্তির প্রথম দফায় এই আলোচনাই হয়েছে বলে খবর। প্রস্তাবিত কাঠামোয় ইরানের শিপিং রুটে যে বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছে, তা তুলে নেওয়া, তেল রফতানিতে ছাড় দেওয়া এবং আঞ্চলিক সুরক্ষার মতো ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে। দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান।
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আগে প্রতিদিন হরমুজ প্রণালী দিয়ে ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। তবে যুদ্ধ শুরুর পরই এই পথ আটকে দিয়েছে ইরান। খুবই সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচল করতে পারছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্কও দিতে হচ্ছিল।
আজ, রবিবারই ভারত সফরে থাকাকালীন মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মার্কো রুবিও জানিয়েছিলেন যে ইরান-আমেরিকার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুখবর পাওয়া যাবে বলেই জানিয়েছিলেন।
