Trump Zelenskyy: ইউক্রেনকে ‘হাতে নয়, পাতে মার’ ট্রাম্পের! বিবাদের পরেই বন্ধ অনুদান, শক্তি বাড়ল পুতিনের
Trump Zelenskyy: কিন্তু সামরিক অনুদান বন্ধের পিছনে কি যুক্তি খাড়া করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? এই প্রসঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ট্রাম্পের অফিসেরই এক আধিকারিক।

ওয়াশিংটন: ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের পর বিশ্বের নানা দেশকে দেওয়া আর্থিক অনুদানের প্রথা বন্ধ করেছেন ট্রাম্প। এই অনুদানে ছাঁটাইয়ের তালিকায় নাম রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশেরও। মার্কিন নাগরিকের ‘কষ্টের আমানত’কে এভাবে হেলায় ‘বিলিয়ে’ দিতে চান না বলে যুক্তি খাড়া করেই এই অনুদান বন্ধের কাজে নেমেছিলেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের ‘অনুদান কোপ’ বিশ্বের প্রায় সব দেশের উপর পড়লেও, সেই ছাঁটাই পর্বে কখনও নাম ওঠেনি ইউক্রেনের। মার্কিন মসনদে বসেই তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দাঁড়ি টানার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু মাস কয়েক পেরিয়ে গেলেও, যুদ্ধে দাঁড়ি টানা তো দূর। উল্টে ট্রাম্প এখন নেমেছেন ‘ইউক্রেন বিরোধিতায়’। পুতিনকে ইঙ্গিতে ‘নিরুপায়’ তকমা দিয়ে যুদ্ধের কারণ হিসাবে জেলেনস্কির দেশের দিকে দায় ঠেলে দিচ্ছেন তিনি।
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক ঝাঁক সাংবাদিকের সামনে ‘কোমর বেঁধে’ ঝগড়া করতে দেখা যায় তাঁকে। তবে সেই ঝগড়ার পরও আমেরিকা-বিমুখি হননি জেলেনস্কি। কিন্তু গোটা দেশের জনতার সামনে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ঝগড়ায় যে বেশি ‘মুখ পুড়েছে’ ট্রাম্পের তা তিনি ভালই টের পাচ্ছেন। তাই এবার ‘হাতে না মেরে, মারলেন পাতে’।
বিবাদের পরেই ইউক্রেনকে দেওয়া সকল প্রকার সামরিক অনুদান বন্ধ করে দিলেন ট্রাম্প। সোমবার এই প্রসঙ্গে একটি বিবৃতিও জারি করেছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু সামরিক অনুদান বন্ধের পিছনে কি যুক্তি খাড়া করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? এই প্রসঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ট্রাম্পের অফিসেরই এক আধিকারিক।
তাঁর কথায়, ‘প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ নয়, শান্তি চান। রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্য়ে তিন বছর ধরে চলা সংঘাত পরিস্থিতিতে সমাপ্তি টানতে চান তিনি। সেই সূত্র ধরেই আমরা এবার ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক অনুদান বন্ধের ঘোষণা করেছি।’ তবে অনুদান ছাঁটাই প্রসঙ্গে মুখ না খুললেন, জেলেনস্কির দাবি, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, এই যুদ্ধকে বন্ধ করতে হবে।’

